শিরোনাম
◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী ◈ সেবা না পেয়ে বেশ কিছু শিশু মারা গেছে, বাংলাদেশের হাসপাতালে আইসিইউ এবং ভেন্টিলেশন সেবা কতটা আছে?  ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর ◈ স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খুঁজতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ভারত সফরে জয়শঙ্কর-দোভালের সঙ্গে বৈঠক, জ্বালানি ও পানি ইস্যুতে গুরুত্ব ◈ ঢাকাসহ ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৮:১৯ রাত
আপডেট : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে যুবতী ধর্ষণ মামলায় প্রতিবেশীর যাবজ্জীবন

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক যুবতীকে ধর্ষণের দায়ে প্রতিবেশী জামান খালাসী (৫৩) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই এই রায় প্রদান করা হয়। পরে আদালত পলাতক ওই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত জামান খালাসী ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ওই যুবতীর বিয়ে ২০১৬ সালে পাশের একটি গ্রামে হয়। তবে দাম্পত্য জীবনে বনিবনা না হওয়ায় তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে এসে বসবাস শুরু করেন।

২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে ফেরার পথে ওই যুবতীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় জামান খালাসী ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী। পরে বাড়ির পাশের একটি ফসলি জমিতে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী নারী নিজেই বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় জামান খালাসীসহ এক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

মামলাটি তদন্ত করেন ভাঙ্গা থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিরাজ হোসেন। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৮ জুন তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে প্রমাণের ভিত্তিতে জামান খালাসীকে একমাত্র অভিযুক্ত করা হয় এবং অজ্ঞাত সহযোগীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আদালতের এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।” তিনি আরও জানান, আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করতে তৎপর রয়েছে।

তিনি বলেন, “যেদিন আসামি গ্রেপ্তার হবেন, সেদিন থেকেই তার দণ্ড কার্যকর শুরু হবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়