শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে টমেটো ও আলুর সংগ্রহ-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট এক-তৃতীয়াংশ ধানে ১০.২৪% ◈ ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম‌্যাচ সন্ধ‌্যায়, মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবু‌য়ে ◈ মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত ◈ আগামী ২৪ ঘণ্টায় যেসব বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে ◈ উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের দাপট, মাদক সিন্ডিকেট ও দখলদারি নিয়ন্ত্রণে ‘দে লাড়া’ গ্রুপ (পিচ্চি সানি) ◈ ইমরান খান, ক্যালিস, ও সোবার্সের তালিকায় সাকিব আল হাসান ◈ ভারত কোটি টাকা আয় করবে, আর বঞ্চিত হ‌বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ? ◈ হুতির হামলা আম‌লে নি‌চ্ছে না  সৌ‌দি আরব, যথাসময়ে এশিয়ান কাপ ফুটবল আয়োজনের ঘোষণা ◈ উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নিখুঁত হামলা, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধপরিকল্পনা ◈ গণপিটুনিতে ৯ মাসে ১৭১ মৃত্যু, ‘মব’ কি সংঘবদ্ধ অপরাধের নতুন কৌশল?

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৮:১৯ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে যুবতী ধর্ষণ মামলায় প্রতিবেশীর যাবজ্জীবন

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক যুবতীকে ধর্ষণের দায়ে প্রতিবেশী জামান খালাসী (৫৩) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই এই রায় প্রদান করা হয়। পরে আদালত পলাতক ওই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত জামান খালাসী ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ওই যুবতীর বিয়ে ২০১৬ সালে পাশের একটি গ্রামে হয়। তবে দাম্পত্য জীবনে বনিবনা না হওয়ায় তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে এসে বসবাস শুরু করেন।

২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে ফেরার পথে ওই যুবতীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় জামান খালাসী ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী। পরে বাড়ির পাশের একটি ফসলি জমিতে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

Advertisement

ঘটনার পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী নারী নিজেই বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় জামান খালাসীসহ এক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

মামলাটি তদন্ত করেন ভাঙ্গা থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিরাজ হোসেন। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৮ জুন তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে প্রমাণের ভিত্তিতে জামান খালাসীকে একমাত্র অভিযুক্ত করা হয় এবং অজ্ঞাত সহযোগীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আদালতের এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।” তিনি আরও জানান, আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করতে তৎপর রয়েছে।

তিনি বলেন, “যেদিন আসামি গ্রেপ্তার হবেন, সেদিন থেকেই তার দণ্ড কার্যকর শুরু হবে।”

  • সর্বশেষ