শিরোনাম
◈ চাঁদাকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হলো কি না, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের ◈ গাজায় গণহত্যার খরচ ১১২ বিলিয়ন ডলার  ◈ দেশে ফের ভূমিকম্প ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ‘জোরদার’ সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সওয়াল ◈ ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক অবৈধ ঘোষণা, ঐতিহাসিক রায় দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ◈ ব্যবসায়ী থেকে তিন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: কে এই শেখ রবিউল আলম? ◈ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী ◈ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনায় যেসব বিএনপি নেত্রী ◈ ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, জানা গেল কে কোন দায়িত্বে? ◈ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে আবেদন পড়েছে ৫০ কো‌টি ৮০ লাখ

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০১৮, ০৩:৩১ রাত
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০১৮, ০৩:৩১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আইনগত বিষয় সমাধানের জন্য বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের সুপারিশ

এস এম নূর মোহাম্মদ : নেত্রকোনার কলমাকান্দার শিশু সৈকত (৭) হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় হয়নি। রোববার এ মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। তবে রায় ঘোষণা না করে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়েছেন বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ। সেইসঙ্গে এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য তিন বিচারপতির সমন্বয়ে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুজ্জামান রুবেল পরে সাংবাদিকদের বলেন, ওই মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক শিশু আসামির বিচারের বিষয়ে আইনগত প্রশ্ন তুলে হাইকোর্ট বিষয়টি বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানির সুপারিশ করেছেন।

জানা যায়, সাত বছরের শিশু সৈকতকে হত্যার ঘটনায় তার পিতা মো. সিদ্দিকুর রহমান নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানায় ২০১০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন। বিচারিক কাজ শেষে ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে নেত্রকোনা সরকারি কলেজের ছাত্র অলি আহম্মদকে মৃত্যুদ-, সবুজ মিয়া ও তাপস বন্ধু সাহাকে যাবজ্জীবন এবং আনিছ মিয়া শিশু হওয়ায় তাকে দশ বছর কারাদ- দেওয়া হয়। রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স আসে হাইকোর্টে। পাশাপাশি কারাবন্দি আসামিরা আপিল করেন। কিন্তু আসামি শিশু হলে তার বিচার ট্রাইব্যুনালে হতে পারে কীনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়