শিরোনাম
◈ ফুটপাত উন্মুক্ত করা হবে, দখল হলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএনসিসি প্রশাসক ◈ হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৫২ ◈ শাহজালালে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে ◈ ‘ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না’—শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ত্রিবেদী ◈ বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আসছে : আইনমন্ত্রী ◈ সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার, কার্যকর নতুন আইন ◈ মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে ফুটপাত দখলমুক্ত, স্বস্তিতে পথচারী (ভিডিও) ◈ তুরস্ককে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম, ডি ব্রুইনার জোড়া গোল ◈ ২০৩০ সালে একই বছরে যে কারণে দুবার রমজান, ৩৬ দিন রোজা রাখবেন মুসলিমরা ◈ ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ’ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের সমঝোতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা গুঞ্জন!

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:৫৫ সকাল
আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:৫৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছি

মিজানুর রহমান রাতুল : ২০১৬-১৭ সালের এলএলবি প্রিলি ফাইনাল পরীক্ষার কোন আগাম নোটিশ ছাড়াই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আমাদেরকে হঠাৎ করেই কুমিল্লা বঙ্গবন্ধু আইন কলেজ এবং কুমিল্লা ল কলেজের সিট ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী কলেজে নিয়ে আসে। এতে শিক্ষার্থীরা বিব্রত অবস্থায় পড়ে গেছে। অনেকেই চাকুরী করে, বিশেষ করে বিবাহিত মেয়েরা চাকুরী করে। এ সমস্যার কারণে কুমিল্লা বঙ্গবন্ধু আইন কলেজ এবং কুমিল্লা ল কলেজের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিভিন্ন কর্মসুচি করেছে। আমাদের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দদের মাধ্যমে ভিসি, শিক্ষমন্ত্রী ও শিক্ষ সচিব তাদের সাথেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। তারা আমাদের যৌক্তিক দাবিতে কোন সাড়া দেয় নাই এবং কোন পজেটিভ রেজাল্ট দেয় নাই। যার জন্য আমরা বাধ্য হয়ে হাইকোর্টে আমাদের যে মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রিট করেছি । মহামান্য হাইকোর্ট ইতিমধ্যে আমাদের রিট মঞ্জুর করেছেন। আমাদের পক্ষে শুনানী করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত সিনিয়র আইনজীবি ও সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু। এই রিটে ৮ জন বাদি হয়েছে আর ১ জন হয়েছে পিটিশনার, তার নাম তোফায়েল আহমেদ। আমাদের এই দাবি হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি আমলে নিয়েছেন এবং গ্রহণ করেছে। সিদ্ধান্ত দিয়েছেন কুমিল্লার যে কোন কলেজে আমাদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ তারিখে। আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছি।
পরিচিতি : এএলবি পরীক্ষার্থী ও সিনিয়র সহ-সভাপতি, কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগ
মতামত গ্রহণ : কায়েস চৌধুরী
সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ