শিরোনাম
◈ ৫ বছরে ১ কোটি কর্মী পাঠাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, নতুন ভিসা সুবিধা চালু করল সৌদি আরব ◈ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের কারণে গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি, যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েল: সিআইএ ◈ বিশ্বের সেরা ৫০০ শহরের তালিকা থেকে বাদ ঢাকা, পিছিয়েছে বাংলাদেশের সব বড় শহর! ◈ সেন্টমার্টিনে বিনামূল্যে খতনা করিয়ে অর্ধশতাধিক শিশুর ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণ ◈ সোলার প্যানেল নাকি মিনি উইন্ড টারবাইন, বাড়ির জন্য কোনটি বেশি লাভজনক? ◈ বৃহস্পতিবার মিরপুর-আগারগাঁওসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ১০ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে ◈ মে‌সি ম‌্যা‌জিক, গোল কর‌লেন করা‌লেন, জয়ের মঞ্চে মহাতারকার মহাবিদায়  ◈ টাকার বিনিময়ে কলরেকর্ড, লোকেশন ও এনআইডি তথ্য বিক্রি: ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ ঘোষণায় আস্ত BMW ও ৫ খণ্ডিত ইসুজু ট্রাকের সন্ধান!

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:২০ সকাল
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার নির্দেশ হাইকোর্টের

মাহফুজ উদ্দিন খান: আগামী ছয় মাসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থীর দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

রায়ের পরে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘হাইকোর্ট আগামী ছয় মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে বলেছেন। একইসঙ্গে ডাকসু নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ (বুধবার) এই আদেশের ফলে ছাত্রদের দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।’

এর আগে, ডাকসু নির্বাচনের পদক্ষেপ নিতে ৩১ শিক্ষার্থীর পক্ষে ২০১২ সালের ১১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও ট্রেজারারকে লিগ্যাল নোটিস দেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই নোটিসের কোনো জবাব না দেওয়ায় ওই বছরই ২৫ শিক্ষার্থীর পক্ষে রিট আবেদন করা হয়।

রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৯৮ সালের ২৭ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ডাকসু নির্বাচনের পর এর সময়সীমা হবে এক বছর। পরবর্তী তিন মাস নির্বাচন না হলে বিদ্যমান কমিটি কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এ সিদ্ধান্তের পর ডাকসু ভেঙে দেওয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বিধান অনুযায়ী, প্রতিবছর নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু তা হচ্ছে না। প্রায় ২২ বছর আগে ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচনের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাদের এই ব্যর্থতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

এরপর ৮ এপ্রিল হাইকোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। বিবাদী ছিলেন শিক্ষা সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর।

  • সর্বশেষ