শিরোনাম
◈ ‘দলগুলোর সদিচ্ছা থাকলে সহিংসতামুক্ত স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব’ ◈ হাসিনাকে ঘিরে আটকে আছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিকের উদ্যোগ, অচলাবস্থা কাটবে কীভাবে? ◈ স্বামীর করা যৌতুক মামলায় স্ত্রী কারাগারে ◈ হ‌কি বিশ্বকাপ থে‌কে ভারতের বিদায়, ১২ বছর পর সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা  ◈ বি‌শ্বের বর্তমান ও সা‌বেক তারকা ফুটবলাররা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ চান  ◈ জাপানি ভাষা শিখে বিনা খরচে বিদেশে চাকরির সুযোগ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের: মাহ্‌দী আমিন ◈ শেখ হাসিনার আত্মীয় বলায় যা বললেন আন্দালিভ রহমান পার্থ (ভিডিও) ◈ রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত, নতুন সূচি হতে পারে ১-২ দিনের মধ্যে ◈ চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে বাংলাদেশ, খসড়া চুক্তি প্রস্তুত ◈ একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ৭ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ চালু রাখলে বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ চালু রাখা এখন অনেকের দৈনন্দিন অভ্যাস। ওয়্যারলেস হেডফোন, স্মার্টওয়াচ, গাড়ির অডিও সিস্টেম কিংবা দ্রুত ফাইল শেয়ারিং—সব ক্ষেত্রেই ব্লুটুথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে প্রয়োজন শেষে এটি বন্ধ না করলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও ডিভাইসের সুরক্ষা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লুটুথ সবসময় সক্রিয় থাকলে ফোন আশপাশের অন্যান্য ডিভাইসের কাছে দৃশ্যমান হয়ে থাকে। এতে সাইবার অপরাধীরা সহজেই ডিভাইস শনাক্ত করে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা চালাতে পারে। ব্লুটুথভিত্তিক এই ধরনের সাইবার আক্রমণ বর্তমানে বেশ পরিচিত একটি ঝুঁকি।

এ ছাড়া ব্লুটুথ সিগন্যাল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অবস্থান বা চলাচলের তথ্য ট্র্যাক করাও সম্ভব। বিভিন্ন শপিং মল বা জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতিতে মানুষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে থাকে। ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আরেকটি ঝুঁকি হলো অচেনা ডিভাইসের সঙ্গে ভুল করে সংযুক্ত হয়ে যাওয়া। অনেক সময় প্রতারকরা পরিচিত বা আকর্ষণীয় নাম ব্যবহার করে ভুয়া ডিভাইস তৈরি করে। ব্যবহারকারী সেটিতে কানেক্ট করলে ফোনের নির্দিষ্ট তথ্য বা ফিচারে অননুমোদিত প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

যদিও আধুনিক ব্লুটুথ প্রযুক্তি কম বিদ্যুৎ খরচ করে, তবুও দীর্ঘসময় চালু থাকলে তা ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ কমিয়ে দেয়।

তবে ব্লুটুথ ব্যবহার পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কিছু সতর্কতা মেনে চললেই নিরাপদ থাকা সম্ভব। যেমন—প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ বন্ধ রাখা, ডিভাইসকে লুকানো বা নন-ডিসকভারেবল মোডে রাখা, অপরিচিত ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগ এড়িয়ে চলা এবং ফোনের সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট করা। বিশেষ করে পাবলিক স্থানে ব্লুটুথ ব্যবহারের সময় বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি।

  • সর্বশেষ