শিরোনাম
◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, নিহত ৯৫; নিখোঁজ শত শত পর্যটক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত ◈ রিয়ালের পতনে দিশেহারা ইরান, ২০ লাখ রিয়ালে মিলছে না আগের অর্ধেকও ◈ ফ্লাইটে মায়ের মৃত্যু, ওমানের আইনে মরদেহ রেখেই দেশে ফিরতে হলো ছেলেকে ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে অন্তত ২০, শতাধিক ভারতীয়সহ নিখোঁজ ৪০০

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অচেনা নম্বর থেকে আসা জাল এসএমএস চেনার সহজ উপায়

বর্তমানে মোবাইল ফোনে ভুয়া বা জাল এসএমএসের সংখ্যা বাড়ছে। এসব মেসেজের মাধ্যমে অনেক সময় মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাই অচেনা নম্বর থেকে আসা মেসেজ দেখলে একটু বেশি সতর্ক হওয়া জরুরি।

ভুয়া এসএমএস চেনার কিছু সহজ উপায় আছে। প্রথমেই খেয়াল করুন মেসেজের ভাষা। যদি সেখানে বানান ভুল থাকে বা ভাষা অস্বাভাবিক মনে হয়, তাহলে সেটি সন্দেহজনক হতে পারে। সাধারণত ব্যাংক বা পরিচিত কোনো সংস্থা তাদের গ্রাহকদের কাছে পরিষ্কার ও নির্ভুল ভাষায় বার্তা পাঠায়।

মেসেজটি কোন নম্বর থেকে এসেছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। পরিচিত ব্যাংক বা সংস্থা সাধারণত নির্দিষ্ট ও পরিচিত নম্বর থেকেই এসএমএস পাঠায়। অচেনা বা অস্বাভাবিক নম্বর থেকে আসা মেসেজ হলে সেটি যাচাই করা উচিত।

কোনো মেসেজে যদি ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চাওয়া হয়—যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ওটিপি, পিন নম্বর বা পাসওয়ার্ড—তাহলে সেই মেসেজ একেবারেই এড়িয়ে চলুন। কোনো ব্যাংক বা বিশ্বস্ত সংস্থা কখনোই এসএমএসের মাধ্যমে এমন তথ্য চায় না।

এ ছাড়া মেসেজে থাকা সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। অনেক সময় দ্রুত বড় পুরস্কার, লোভনীয় ছাড় বা বিশেষ অফারের কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। এগুলোও ভুয়া মেসেজের সাধারণ লক্ষণ।

একই মেসেজ বারবার আসলে বা বিভিন্ন নম্বর থেকে একই ধরনের বার্তা এলে সেটিও সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত। যদি কোনো মেসেজে কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করা হয়, তাহলে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তথ্য মিলিয়ে দেখা যেতে পারে।

কোনো মেসেজ নিয়ে সন্দেহ হলে সেটি উপেক্ষা করাই সবচেয়ে নিরাপদ। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা উচিত। সতর্ক থাকলেই এ ধরনের প্রতারণা থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা সম্ভব।

সূত্র: কালবেলা

  • সর্বশেষ