শিরোনাম
◈ সরকারি চাকরিজীবীদের এ মাসেই বাড়তি বেতন-ভাতা নিয়ে যা জানাল অর্থ মন্ত্রণালয় ◈ পরমাণু ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লে চাপ নিতে প্রস্তুত কি দেশের গ্রিড? বড় চ্যালেঞ্জ স্পিনিং রিজার্ভ ◈ ওমা‌নের মা‌ঠে সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারালো বাংলাদেশ ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে সময় লাগছে মাত্র ১৫-২০ মিনিট, জানালেন বিমানমন্ত্রী ◈ হা‌রের ক্ষত না শুকা‌তেই আইসিসির শাস্তি পেলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ◈ ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির মামলায় ৯৯ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন ◈ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ের তথ্য নিয়ে যা বলল পরিবার ◈ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ দুই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে বার্সেলোনা শিবিরে জোড়া ধাক্কা ◈ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: রায়ের কপি পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ, জানালেন শামা ওবায়েদ

প্রকাশিত : ২৯ নভেম্বর, ২০২৩, ০৮:৩৮ রাত
আপডেট : ২৯ নভেম্বর, ২০২৩, ০৮:৩৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছাগলের মাধ্যমেই আবিষ্কার হয়েছিল কফি

শিমুল চৌধুরী ধ্রুব: [২] কফি পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। সারাদিনের ক্লান্তি, ঘুম দূর করতে কফি অন্যতম উপাদান। পুরো বিশ্বে কফি জনপ্রিয় এক ক্যাফেইন। ফিনল্যান্ডের একজন মানুষের বছরে গড় কফি গ্রহণের পরিমাণ প্রায় ১২ কেজি। এছাড়া নরওয়ে ও আইসল্যান্ডের মানুষের গড় কফি গ্রহণের পরিমাণ বছরে ৯ কেজির ওপর। ডেনমার্ক ও সুইডেনের অধিবাসীরাও বছরে গড়ে ৮ কেজির বেশি কফি গ্রহণ করে থাকে। সূত্র: ডেজ অব দ্য ইয়ার

[৩] তবে মানুষের পছন্দের এই পানীয় কিন্তু আবিষ্কার করেছিল একদল ছাগল। জানা যায়, নবম শতকে আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ ইথিওপিয়ার কাফা অঞ্চলের খালিদ নামের এক আরব বাসিন্দা ছাগল চরানোর সময় খেয়াল করেন যে, তার ছাগলগুলো জামের মতো এক ধরনের ফল খাচ্ছে। পরবর্তীতে সে লক্ষ্য করে এই ফলগুলো খাওয়ার পর প্রাণীগুলোকে অনেক সতেজ দেখাচ্ছে। এমনকি ছাগলগুলো সারারাত না ঘুমিয়ে পার করে দেয়। সূত্র: ইন্ডিয়ান টাইমস

[৪] এরপর খালিদ ওই ফলগুলোকে সেদ্ধ করে সর্বপ্রথম কফি তৈরি করেন। একদল সন্ন্যাসীকে তার পর্যবেক্ষণ জানানোর পর তারা ঐ ফল থেকে পানীয় তৈরি করে পন করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সারারাত জেগে প্রার্থনা করা। এরপর কফি নামক এই পানীয় ইথিওপিয়া থেকে ইয়েমেনে রপ্তানি করা হয়। সেখানে সুফী-সাধকরা বিশেষ উপলক্ষে রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য এটি পান করতেন।

[৫] এরপরই বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রসার লাভ করে পানীয়টি। ফলে ইথিওপিয়াকে কফির জন্মস্থান মনে করা হয়। ইথিওপিয়ায় জন্ম নেওয়া কফি গাছ থেকে পাওয়া কফিকে বলা হয় ‘অ্যারাবিকা’। তবে এই কফির সবচেয়ে দামী ধরণটা তৈরি হয় ‘সিভেট’ নামের স্তন্যপায়ী এক ধরণের শেয়াল জাতীয় প্রাণীর মল থেকে। কফির এই ধরণটির নাম ‘কোপি লুয়াক’। যার ৫০০ গ্রামের দাম হতে পারে ৭০০ ডলার (প্রায় ৬০ হাজার টাকা) পর্যন্ত।

এসসিডি/এনএইচ

  • সর্বশেষ