স্পোর্টস ডেস্ক : দলীয় ২২ রানে নেই ২ উইকেট। একটু পর ফিরলেন নাজমুল হোসেন শান্তও। আর চোটের কারণে তো আগে থেকেই নেই সাদমান ইসলাম। সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল বিপদেই পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে উইকেট এসে দলের হাল ধরেছেন তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম।
৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শেষ করেছে বাংলাদেশ। ২৯ রান করে অপরাজিত আছেন হৃদয়, মুশফিক তৃতীয় দিনে ব্যাটিং শুরু করবেন ১৯ রান নিয়ে। স্বাগতিকরা পিছিয়ে ২৬৮ রানে। -- ডেইলি ক্রিকেট
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩৫৬ রানে অলআউট করার পর নিজেদের প্রথম ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনজুরির কারণে সাদমান না থাকায় তানজিদ হাসান তামিমের সাথে ওপেনিং করেন নাঈম হাসান। তবে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। ১৬ রান করে ফেরেন তামিম।
শান্ত শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফিরেছেন ১৮ রান করে। এরপর দলের হাল ধরেন হৃদয় ও মুশফিক। দুজনেই ক্যারিবিয়ান বোলারদের সামাল দিয়েছেন ভালভাবে।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে আমির জাঙ্গুর সেঞ্চুরি ও কেভিন উইকহ্যাম এবং জাস্টিন গ্রিভসের ফিফটিতে ৩৫৬ রান তুলেছে সফরকারীরা।
৪ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দিনের প্রথম ওভার পরেই স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজকে আক্রমণে আনেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের সামনে সুবিধা করতে পারেননি তিনি।
বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন হাসান। দারুণ ইনসুইংয়ে আমির জাঙ্গুকে বোল্ড করেন টাইগার এই পেসার। ১৩৩ রান করেন জাঙ্গু। তাতে ভাঙে জাস্টিন গ্রিভসের সাথে তার ১০৬ রানের জুটি। পরের বলেই রোস্টন চেজকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান হাসান। হ্যাট্রিক পেয়েও গিয়েছিলেন। তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান জশুয়া বিশপ।
একটু পর লিটনের দুর্দান্ত স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফেরেন বিশপ। তার আগে করেন ২৩ রান। জাস্টিন গ্রিভসকে দারুণ ডেলিভারিতে বোল্ড করে স্বাগতিক শিবিরে স্বস্তি এনে দিয়েছেন মিরাজ।
তবে এরপর উইকেটে আসা শামার জোসেফ, জোমেল ওয়ারিকান ও জেডন সিলস করেছেন দারুণ ব্যাটিং। লোয়ার অর্ডারের তিন ব্যাটার করেছেন যথাক্রমে ১৬, ২৭* ও ১৫ রান। বাংলাদেশের হয়ে ৬টি উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজ।