শিরোনাম
◈ অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও কোনোটিতেই বসেনি যানবাহন চলন্ত অবস্থায় ওজন মাপার যন্ত্র ডব্লিউআইএম স্কেল ◈ সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না: মাহদী আমিন ◈ প্রবাসীরা ই-মেইলে অভিযোগ দিলেই সমাধান পাবেন ◈ স্টুডিওতে লুটপাটের পর ‍সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গ্রেট জব, বিএনপি জোস কাজ করছে’ ◈ ভুলের সুযোগে ইংল্যান্ডকে হারাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ◈ ঢাকার মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের কারণ কী? ◈ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আবারও আটক ২৫৪ ◈ বৃদ্ধাশ্রমে সা‌বেক ক্রিকেটার বি‌নোদ কাম্বলি, কেমন আছেন জানালেন নিজেই ◈ বেকারত্ব থেকে অনলাইন জুয়া, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অপরাধ ◈ ইউএনজিএ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৩ দুপুর
আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

বয়কটের দাবি, শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের বিপক্ষে মাঠে আয়ারল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক: গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে ম্যাচ বয়কটের দাবি উঠেছিল আয়ারল্যান্ডে। দলের ভেতরেও তৈরি হয়েছিল অস্বস্তি—এক খেলোয়াড় তো ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বয়কট নয়, ইসরায়েলের বিপক্ষে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড। খেলোয়াড়দের ভোটে উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ম্যাচ খেলার পক্ষে যাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড (এফএআই)।

উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচটি রোববার হাঙ্গেরির ডেব্রাসেনে। ম্যাচের আগের দিন নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করে অনুশীলনও পিছিয়ে দেয় আইরিশ দল। মূলত ম্যাচটি খেলা হবে কি না, তা নিয়ে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের আলোচনার সুযোগ করে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এফএআইয়ের প্রধান নির্বাহী ডেভিড কোরেল জানান, শনিবার প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেন দলের সদস্যরা। এরপর ম্যাচ খেলা নিয়ে ভোট হয়। ভোটের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ না করলেও কোরেল বলেন, ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠ’ খেলোয়াড় ম্যাচ খেলার পক্ষে মত দিয়েছেন।

ইসরায়েলের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের ম্যাচটি শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের কেন্দ্রে। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে আয়ারল্যান্ড অন্যতম সোচ্চার সমালোচক। ম্যাচটি না খেলার দাবিতে দেশটিতে একাধিকবার বিক্ষোভও হয়েছে।

advertisement

মাঠে অবশ্য প্রতিবাদের কিছু প্রতীকী পদক্ষেপ থাকছে। ম্যাচের আগে ইসরায়েলি দলের সঙ্গে করমর্দন বা স্মারক পতাকা বিনিময়ের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকবে না। গাজা সংঘাতে নিহতদের স্মরণে কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামবেন আইরিশ খেলোয়াড়েরা।

গত নভেম্বরে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতা থেকে ইসরায়েলকে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানাতে এফএআইয়ের সদস্যরা ভোট দিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ের সভায় নির্ধারিত ম্যাচগুলো চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ইসরায়েলের সব ‘হোম’ ম্যাচ ডেব্রাসেনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। আগামী ৪ অক্টোবর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের ‘অ্যাওয়ে’ ম্যাচটি সার্বিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ম্যাচটি হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।

  • সর্বশেষ