২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াই এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। ফাইনালের আগে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জয়ের দৌড়ে রয়েছেন একাধিক ফুটবলার। তবে শেষ পর্যন্ত যদি দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হয়, তাহলে বিজয়ী নির্ধারণে ফিফার নির্দিষ্ট টাইব্রেকিং নিয়ম অনুসরণ করা হবে।
বর্তমানে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে তিনি ১০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট নিয়ে শীর্ষে উঠেছেন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির গোল ৮টি এবং অ্যাসিস্ট ৪টি। ফলে ফাইনালে গোল্ডেন বুট জিততে হলে মেসিকে কঠিন সমীকরণ পাড়ি দিতে হবে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে বিবেচনা করা হবে সর্বোচ্চ গোল। একাধিক খেলোয়াড়ের গোল সমান হলে দেখা হবে কার অ্যাসিস্ট বেশি। অ্যাসিস্টেও সমতা থাকলে তখন বিবেচনায় আসবে মাঠে খেলা মোট সময়।
অর্থাৎ একই সংখ্যক গোল ও অ্যাসিস্ট থাকলে যে ফুটবলার কম মিনিট খেলেছেন, তাকেই গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে। কারণ কম সময়ে একই অবদান রাখা খেলোয়াড়কে বেশি কার্যকর হিসেবে বিবেচনা করে ফিফা।
এই নিয়ম অনুযায়ী, ফাইনালে মেসি যদি দুটি গোল করে ১০ গোলে পৌঁছান কিন্তু কোনো অ্যাসিস্ট না করেন, তাহলে গোল ও অ্যাসিস্টে এমবাপ্পের সঙ্গে সমতা হলেও কম মিনিট খেলার কারণে এগিয়ে থাকবেন ফরাসি তারকা। সে ক্ষেত্রে গোল্ডেন বুট যাবে এমবাপ্পের হাতেই।
অন্যদিকে মেসির সামনে দুটি বাস্তবসম্মত পথ রয়েছে। তিনি যদি ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেন, তাহলে ১১ গোল নিয়ে সরাসরি গোল্ডেন বুট জিতবেন। অথবা দুটি গোলের সঙ্গে অন্তত একটি অ্যাসিস্ট করলে ১০ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট নিয়ে এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলতে পারবেন।
বিশ্বকাপের ফাইনালের সঙ্গে তাই ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের লড়াইটিও এখন ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণ।