নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশি বিদেশি সতেরটি এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার এবং ভবিষ্যতে খাতগুলোর উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এয়ারলাইন্স ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ (এএফসি)।
আগামী ৩ ও ৪ জুলাই রাজধানীর গুলশান ইউথ ক্লাব টার্ফ মাঠে দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক ফুটসাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।
খেলার আয়োজন করছে এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের সাংবাদিকদের একমাত্র সংগঠন এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি)। টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর এনভয়-শেলটেক এভিয়েশন এবং পাওয়ার্ড বাই ভিআইপি মোটরস।
'ওয়ান স্কাই, ওয়ান ফিল্ড, ওয়ান চ্যাম্পিয়ন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই ফুটসাল টুর্নামেন্টে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলো একই ক্রীড়া মঞ্চে অংশ নেবে।
টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, নভোএয়ার, এয়ার অ্যাস্ট্রা, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, সৌদিয়া, টার্কিশ এয়ারলাইন্স, এয়ার অ্যারাবিয়া, ইন্ডিগো, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স, এয়ার ইন্ডিয়া, থাই এয়ারওয়েজ, এয়ারএশিয়া, সিল্কওয়ে ওয়েস্ট এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাই দুবাই।
দুই দিনব্যাপী টুর্নামেন্টের মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং এভিয়েশন খাতের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অংশীজনরা উপস্থিত থাকবেন। ফাইনালে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, পদক ও বিভিন্ন ক্যাটাগরির পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
এএফসি-২০২৬- এর কো-স্পন্সর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ফার্স্টট্রিপ, ওয়ার্ক স্টেশন, প্লিয়াদিশ বাংলাদেশ লিমিটেড (পিবিএল)। স্ট্র্যাটিজিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ঢাকা এয়ারলাইন্স ক্লাব, হসপিটালিটি পার্টনার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা-গুলশান এবং মিডিয়া পার্টনার এভিয়েশন এক্সপ্রেস।
স্বাস্থ্যসেবা সহযোগী হিসেবে ফেমাস স্পেশালাইজড হসপিটাল এবং ইভেন্ট সাপোর্ট পার্টনার হিসেবে ফেমাস ক্রিয়েশন টুর্নামেন্ট বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে।
টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর ও এটিজেএফবির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আদনান রহমান বলেন, বিশ্বকাপ ফুটবলের আবহকে সামনে রেখে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে কর্মরত পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক, সৌহার্দ্য, টিমওয়ার্ক ও সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টুর্নামেন্টকে ঘিরে আমরা শুধু মাঠের প্রতিযোগিতাই নয়, এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে একটি কার্যকর নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মও তৈরি করতে চাই।
তিনি বলেন, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার হবে, যা ভবিষ্যতে খাতটির উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করছি, এই আয়োজন দেশের এভিয়েশন খাতের সবচেয়ে আলোচিত ক্রীড়া ইভেন্টে পরিণত হবে।