স্পোর্টস ডেস্ক : দাপটের সঙ্গে খেলেছে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রতিপক্ষ ক্রিস্টাল প্যালেস আক্রমণ সামলাতে ব্যস্ত থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে জোড় লড়াই করেছে হারের ব্যবধান কমাতে। কিন্ত শেষ রক্ষা হয়নি। প্রথমার্ধেই দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর, শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়াল ম্যানচেস্টার সিটি। দাপুটে পারফরম্যান্সে ক্রিস্টাল প্যালেসকে উড়িয়ে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াই আরও জমিয়ে তুলল পেপ গার্দিওলার দল।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে বুধবার রাতে ৩-০ গোলে জিতেছে সিটি। অ্যান্টোয়ান সেমেনিও দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর, ব্যবধান বাড়ান ওমার মার্মুশ। শেষ দিকে তৃতীয় গোলটি করেন সাভিনিয়ো।
আর্লিং হলান্ড, জেরেমি ডোকুসহ শুরুর একাদশে নিয়মিত ছয়জনকে বেঞ্চে রেখে একাদশ সাজান গুয়ার্দিওলা। তারপরও, দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দিল দলটি।আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধান আবার দুই পয়েন্টে নামিয়ে আনল সিটি। ৩৬ রাউন্ড শেষে ২৩ জয় ও আট ড্রয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ম্যানচেস্টার সিটি।
ম্যাচ শুরুর দ্বিতীয় মিনিটেই সিটির রক্ষণ ভেঙে এগিয়ে যান ব্রেনান জনসন। তার পাস পেয়ে মাতেতার শটে বল মনে হচ্ছিল গোললাইন পেরিয়ে গেছে। তবে, অফসাইডের পতাকা ওঠায় হাফ ছাড়ে স্বাগতিকরা। ৩২তম মিনিটে লক্ষ্যে প্রথম শট নিয়েই এগিয়ে যায় সিটি। ফিল ফোডেনের ব্যাকহিল পাস ডি-বক্সে পেয়ে জোরাল শটে গোলটি করেন সেমেনিও।
আট মিনিট পর লক্ষ্যে দ্বিতীয় শট নিতে পারে সিটি এবং তাতে ব্যবধানও দ্বিগুণ হয়। এবারও অ্যাসিস্টের ভূমিকায় ফোডেন। বাঁ দিক থেকে সতীর্থের বাড়ানো ক্রসে বক্সে দারুণ এক ছোঁয়ায় বল বাড়ান ডান দিকে এবং বডি ডজে একজনকে ফাঁকি দিয়ে জায়গা বানিয়ে লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করেন মার্মুশ। দুই গোল হজমের মাঝে একবার প্রতিপক্ষ শিবিরে ভীতি ছড়ায় প্যালেস। তবে টাইরিক মিচেলের শট ঠেকিয়ে বিপদ হতে দেননি দোন্নারুম্মা।
বিরতির পরও প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য ধরে রাখে সিটি এবং ৮৪তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে জয়টা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে তারা। হায়ান শেহকির ছোট করে বাড়ানো থ্রু বল ডি-বক্সে পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার সাভিনিয়ো।