শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:২২ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

করমর্দন বিতর্কে সুনীল গাভাস্কার - ক্রীড়া এবং রাজনীতি কখনোই আলাদা ছিল না 

স্পোর্টস ডেস্ক : এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পর হাত না মেলানোর ঘটনা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে এবার মুখ খুলেছেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। 

ভারতের ক্রিকেটাররা হাত না মেলালেও ম্যাচ শেষে উপস্থাপনায় অংশ না নেওয়ায় তিনি পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলীর তীব্র সমালোচনা করেছেন গাভাস্কার। গাভাস্কারের মতে, পরাজিত দলের অধিনায়কের অজুহাত শোনার চেয়ে সবাই জয়ী অধিনায়কের কথাই শুনতে চেয়েছিল। -- ক্রিকটাইম

দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবের ভারতের কাছে ৭ উইকেটে হেরে যায় পাকিস্তান। এরপরই বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম হয়, যখন ভারতীয় খেলোয়াড়রা পাকিস্তানের সঙ্গে প্রথাগতভাবে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানায়। ভারতীয় ক্রিকেটারদের এই অখেলোয়াড়সুলভ আচরণে ক্ষুব্ধ পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান এরপর ম্যাচ-পরবর্তী অনুষ্ঠানে অংশ নেননি।

এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে গাভাস্কার বলেন, "আমি মনে করি না এতে খুব বেশি পার্থক্য হয়েছে। লোকেরা মূলত জয়ী অধিনায়কের কথা শুনতে চেয়েছিল, অন্য পক্ষের অজুহাত নয়।"

গাভাস্কার আরও বলেন যে, খেলা এবং রাজনীতিকে আলাদা করা যায় না, কারণ ইতিহাসে এমন উদাহরণ বহু আছে।

তিনি বলেন, "ক্রীড়া এবং রাজনীতি কখনোই আলাদা ছিল না - আপনি কেবল ইতিহাসের দিকে তাকালেই তা দেখতে পাবেন। আমি কাউকে তাদের এই অবস্থানের জন্য সমালোচনা করব না এবং আমি এই বিষয়ে বিতর্কে জড়াতে চাই না। যখন আপনি রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা শুরু করেন, তখন এমন নীতি এবং জটিলতার মধ্যে প্রবেশ করেন যা আমার জ্ঞানের পরিধির বাইরে।

গাভাস্কারের মতে, হাত মেলানো বাধ্যতামূলক এমন কোনো নিয়ম নেই। তাই কোনো খেলোয়াড় যদি হাত না মেলানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সে তার অধিকারের মধ্যেই তা করছে।

তিনি বলেন, "আমি নিজে এটি দেখিনি, তবে শেষ পর্যন্ত এটি প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে যে তারা কী করতে চায়। মাঠে অনেক সময় মানুষ আপনাকে গালাগালি করে এবং এমন কথা বলে যা গ্রহণযোগ্য নয়। যদি কেউ আপনাকে বাজে কথা বলে থাকে, তবে তাদের সঙ্গে গিয়ে হাত মেলানোর প্রত্যাশা করাটা বড্ড বেশি।"

"মাঠে ঠিক কী হয়েছিল বা কোনো খারাপ কথা আদান-প্রদান হয়েছিল কিনা, তা আমি জানি না, তবে যদি কোনো ব্যক্তি হাত না মেলানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সে তার অধিকারের মধ্যে থেকেই তা করে।

বর্তমানে এই ঘটনাটি একটি বড় বিতর্কে পরিণত হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আইসিসির কাছে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে এবং ম্যাচ রেফারিকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়