শিরোনাম
◈ হত্যাকাণ্ড ধামাচাপায় রেলপথের ভয়ংকর ব্যবহার ◈ মালদ্বীপে ১০ দিনে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ ◈ বেসরকারীকরণের উদ্যোগে ঝুঁকিতে পড়তে পারে জ্বালানি খাত ◈ পাহাড়ে চাঁদাবাজির ভয়াল সাম্রাজ্য, বছরে আদায় হাজার কোটি টাকা ◈ প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে আত্মহত্যা, ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার নির্মম চিত্র ◈ রাশিয়া থেকে ভারত, পাঁচ দেশ পেরিয়ে নতুন রেলপথের প্রস্তাব ◈ শ্রমবাজারে যুদ্ধের ধাক্কা, বিকল্প গন্তব্য খুঁজছে বাংলাদেশ ◈ উপজেলা পর্যায়ে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার ◈ এসএসসি ফল প্রকাশ আজ, দ্রুত জানবেন যেভাবে ◈ ফ্লাইট দেরি বা বাতিল হলে খাবার-হোটেল-রিফান্ড, কোন এয়ারলাইনস কী দেয়

প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০৯ সকাল
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পুরোনো ছবি দিয়ে ‘শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক’, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ

শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ‘বিশেষ বৈঠক’ এমন ক্যাপশন দিয়ে পুরোনো একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার পাটওয়ারী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সাবেক আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী শাজাহান খানসহ আরো একজনকে দেখা যায়। ছবিটির ক্যাপশনে পাটওয়ারী লেখেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক।’

তবে ছবিটির ক্যামেরা-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, এটি ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তোলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ছবিটি সময় টেলিভিশনের একটি টকশোতে অংশ নেওয়ার আগে তোলা হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে অনুষ্ঠিত কোনো বৈঠকের ছবি হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ও আলোচনা শুরু হয়। এ ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, পুরোনো ছবিকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। পোস্টটিতে বিষয়টিকে ‘গুজব ও অপপ্রচার’ হিসেবে উল্লেখ করে সত্য ও তথ্যের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান জানানো হয়।

‘দ্য ডিসেন্টে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক।’

ছবিতে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, বর্তমান বিএনপি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এবং ইউএনবির উপদেষ্টা সম্পাদক ফরিদ হোসেন একটি কক্ষে বসে আছেন।

ছবিটি যাচাই করে দেখা গেছে, এটি মূলত ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল সময় টিভিতে প্রচারিত ‘গণতন্ত্র ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি’ শীর্ষক একটি টকশো শুরুর আগের সময়ের। পাটওয়ারীর পোস্ট করা ছবির টাইমলাইন অনুযায়ী, ছবিটি ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তোলা হয়। অন্যদিকে, সময় টিভিতে ওই সম্পাদকীয় টকশোর সরাসরি সম্প্রচার শুরু হয় রাত ১০টায়।

অর্থাৎ, ছবিটি টকশো শুরুর প্রায় ১৫ মিনিট আগে ধারণ করা হয়েছিল। তাছাড়া পাটওয়ারীর পোস্ট করা ছবিতে থাকা তিনজন যে ধরন ও রঙের পোশাক পরিহিত ছিল, টকশোতেও তাদের একই পোশাক দেখা যায়।

এদিকে আগের টকশোর ছবি ছড়িয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন মিডিয়া সেল। নিন্দা বিবৃতিতে বলা হয়, ছবিটি ২০২৩ সালের ৪ মে, সময় টেলিভিশনের ‘রাতের টকশোর পূর্বে ’-একটি পুরোনো ছবি। অথচ সেই ছবিকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনামলেও ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলনের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর কখনো স্তব্ধ করা যায়নি। তিনি নিয়মিতভাবে ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন এবং গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন।

সূত্র : ইনকিলাব 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়