শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:১৯ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচনী হলফনামায় চমক: বিপুল সম্পদের মালিক নিপুণ রায়

১৩তম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া নিপুণ রায় চৌধুরীর দাখিল করা হলফনামা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা। হলফনামায় তাঁর নিজের এবং স্বামীর নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষ করে তার স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ ও ব্যাংকিং সম্পদের বিবরণ নজর কেড়েছে।

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, নিপুণ রায় চৌধুরীর ব্যক্তিগত মালিকানায় রয়েছে ৫০২ ভরি সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর গয়না। এর পাশাপাশি তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে রয়েছে আরও ১০০ ভরি গয়না। অর্থাৎ, এই দম্পতির কাছে মোট ৬০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।

হলফনামায় এসব গয়নার অর্জনকালীন মূল্য অজানা উল্লেখ করা হয়েছে এবং এগুলো উপহার হিসেবে প্রাপ্ত বলে জানানো হয়েছে।

পেশায় আইনজীবী নিপুণ রায় চৌধুরীর বার্ষিক আয়ের প্রধান উৎস হলো তার পেশাগত কাজ এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ। হলফনামা অনুযায়ী, তিনি পেশাগত কাজ থেকে বছরে ২৬ লাখ টাকা আয় করেন এবং শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে তার আরও প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা আয় হয়। ব্যাংকিং সম্পদের হিসেবে তার নামে ১ কোটি ১৩ লাখ ২১ হাজার টাকার স্থায়ী আমানত রয়েছে। এছাড়া তার নিজের নামে থাকা দুটি গাড়ির ক্রয়মূল্য ১ কোটি ১১ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার নিজের অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে, তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে থাকা অস্থাবর সম্পদের মূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকারও বেশি।

স্থাবর সম্পদের হিসেবে নিপুণ রায় ৮৫ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে কেনা একটি ফ্ল্যাটের কথা উল্লেখ করেছেন, যদিও হলফনামায় ফ্ল্যাটটির সঠিক অবস্থান স্পষ্ট করা হয়নি। সম্পদের পাশাপাশি ঋণের তথ্যও উঠে এসেছে। নিপুণ রায়ের নামে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার ব্যাংকঋণ ও ব্যক্তিগত দায় রয়েছে। নগদ অর্থের হিসেবে স্বামী ও স্ত্রী মিলিয়ে তাদের কাছে মোট ৭৬ লাখ টাকা রয়েছে, যার মধ্যে ১৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা নিপুণ রায়ের নিজের নামে আছে।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা নিপুণ রায় চৌধুরী রাজনৈতিক পরিবার থেকেই উঠে এসেছেন। তিনি সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ। একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিপুণ রায় চৌধুরীর এই সম্পদের বিবরণ এখন নির্বাচনী মাঠের অন্যতম আলোচনার বিষয়। উৎস: ইত্তেফাক।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়