শিরোনাম
◈ ঢাকায় দুই রুটে মনোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা, চলছে নকশার কাজ ◈ কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে ১০ নভেম্বর তুরস্ক যাচ্ছেন তারেক রহমান, সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় ◈ উজানের পানিপ্রবাহ বন্ধ, অপরিকল্পিত সেতু ও খননে মৃতপ্রায় ভৈরব নদ; বাঁচাতে পদ্মার সঙ্গে পুনঃসংযোগের দাবি ◈ ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু, ৩ হাজার ৯৮১ ইউনিয়নের তালিকা যাচাইয়ের নির্দেশ ইসির; তফসিল ১০ ডিসেম্বর ◈ যে ৫১ অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন মালয়েশিয়াগামী কর্মীরা, ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা ◈ নরসিংদীতে স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের দিয়ে পর্ন ভিডিও তৈরি করে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পর্নসাইটে বিক্রির অভিযোগ! ◈ কোস্ট গার্ডের ৪ জাহাজের নাম পরিবর্তন, দায়িত্ব পালনকালে শহীদ ৪ সদস্যের নামে নতুন নামকরণ ◈ খুলনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেয়ালচিত্রে কালি মাখাল দুর্বৃত্তরা, লিফলেটে ভারত ও রবীন্দ্রবিদ্বেষী বার্তা ◈ টেকনাফের পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে ◈ মৃত্যুর আগে রহস্যময় ১৫ মিনিটের হিসাব নেই, কী ঘটেছিল তখন তাহসিফের সঙ্গে

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০১:৪১ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কার কথা বলছেন নাহিদ-আসিফ? ‘ডিপ স্টেট’ আসলে কী?

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেছেন, ‘ডিপ স্টেট’ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বক্তব্যেও এসেছে ‘ডিপ স্টেট’ প্রসঙ্গ। স্বভাবতই সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘ডিপ স্টেট’ বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ডিপ স্টেট বলতে কী বোঝায়?

রাজনীতি, ক্ষমতা আর গোপন প্রভাব—এই তিনের সংযোগেই বারবার উঠে আসে“ডিপ স্টেট”প্রসঙ্গ।  “ডিপ স্টেট”বলতে সাধারণত এমন একটি অপ্রকাশ্য ক্ষমতার কাঠামোকে বোঝানো হয়, যা সরকার বা দৃশ্যমান প্রশাসনের বাইরে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রভাব ফেলে। এতে থাকতে পারে আমলাতন্ত্রের একটি অংশ, গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক বাহিনীর কিছু গোষ্ঠী বা প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী—যারা সরাসরি সামনে না এসে নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখে বলে ধারণা করা হয়।

কোথা থেকে এ ধারণার উৎপত্তি?

Advertisement

ডিপ স্টেট ধারণাটি নতুন নয়। বিশেষ করে তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে গোপন ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। পরে এটি পশ্চিমা রাজনীতিতেও আলোচিত হয় এবং ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে একটি বিতর্কিত শব্দে পরিণত হয়।

কেন এত আলোচনা?

রাজনৈতিক অস্থিরতা, হঠাৎ নীতিগত পরিবর্তন বা অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্তের পেছনে অনেক সময় “ডিপ স্টেট”কে দায়ী করা হয়। বিশেষ করে যখন কোনও সিদ্ধান্তের স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না, তখন এই ধারণাটি আরও বেশি সামনে আসে।

বাস্তবতা নাকি ষড়যন্ত্র?

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু দেশে প্রশাসনের ভেতরে শক্তিশালী প্রভাবশালী গোষ্ঠী থাকতেই পারে, যারা নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলে। তবে “ডিপ স্টেট” শব্দটি অনেক সময় অতিরঞ্জিত বা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, এটি একদিকে বাস্তবতার আংশিক প্রতিফলন, অপরদিকে অনেক ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ কী?

“ডিপ স্টেট” থাকুক বা না থাকুক, এই ধারণাটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে—রাষ্ট্র পরিচালনা শুধু দৃশ্যমান রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর পেছনে আরও অনেক স্তর, প্রভাব ও স্বার্থ কাজ করতে পারে।

শেষ কথা

“ডিপ স্টেট” একটি জটিল এবং বিতর্কিত ধারণা। এটি একদিকে রাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে অনেক সময় ব্যাখ্যাতীত ঘটনাকে সহজভাবে বোঝানোর একটি মাধ্যম হয়ে ওঠে। তাই বিষয়টি বুঝতে হলে তথ্য, প্রেক্ষাপট এবং সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি—সবকিছুই জরুরি।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ