শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন মঙ্গলবার, কী হবে ট্রাম্পের ভাগ্য? ◈ আফগা‌নিস্তান প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফটে বাংলাদেশের সা‌কিব-মুশ‌ফিকসহ ১০ ক্রিকেটার ◈ এক লাফে ২২৩ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম ◈ শুল্কের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি, আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ ◈ ‘আসামে এলে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব’, রাহুলকে হিমন্ত ◈ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ ব্যবসায় নামতে চায় টিসিবি ◈ অল্প সময়ে বেশি ফলন, কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে মুড়িকাটা পেঁয়াজে ◈ শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি গড়তে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ জাতীয় সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একাধিক সুপারিশ কমিটির ◈ মাইকিং করে বাণিজ্যমেলার মাঠে ভাঙচুর, ভেকু দিয়ে গেট ভাঙছেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা: মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১২:২২ রাত
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১২:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লৈঙ্গিক পরিচয় সানজিদা-কৃষ্ণাদের সম্ভাবনাকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি

সাবিনা শারমিন

সাবিনা শারমিন: কোনো খেলা কারো বাপ-দাদার দান করা সম্পত্তি নয়। নারী সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ দল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় অনেকেই বিজয়ী নারীদের বাঘিনী বলতে চাচ্ছেন। আমি বলতে চাচ্ছি, বাঘ কি সকল সময়ে মঙ্গলের প্রতীক?

শক্তির প্রতীক বোঝানোর জন্য অন্য কোন প্রাণীর সাথে তুলনা করে শক্তি প্রমাণ করার কী  দরকার আছে? আমি বলবো এরা বাংলার দামাল, দস্যু, দুরন্ত মেয়ে। এরা ফুলের বিছানায় জন্মগ্রহণ করে বাবা কিংবা সোয়ামীর দান নেয়নি। এরা কাচের টুকরো বিছানো রাস্তায় হেঁটে রক্তাক্ত হয়েও ক্ষান্ত  হয়নি, থেমে যায়নি। মেয়ে হয়ে জন্মগ্রহণ করে এরা হীনমন্যতায় ভোগেনি। লৈঙ্গিক পরিচয় তাদের সম্ভাবনাকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি। তাই তারা স্রোতের বিপরীতে নাও ভাসানো লোক, নারী, সর্বোপরি মানুষ।

প্রশংসায় ভাসাতে হলে তাদের ডেকে এনে এদের চলার পথের বাঁধা অতিক্রমের গল্প শুনুন। এদের প্রত্যকের মা'কে সামনে নিয়ে আসুন। এদের বাবাকে সামনে নিয়ে আসুন। সামনে নিয়ে আসুন এদের মেন্টরকে, এদের কোচকে। সামনে নিয়ে আসুন এদের এলাকার মুয়াজ্জিন ইমামকে। যারা এই দামাল মেয়েগুলোকে বাল্য বিবাহ দেয়নি। সেই মসজিদের ইমামকে নিয়ে এসে জিজ্ঞেস করুন পাঁচ বছরের শিশু কন্যা সুমাইয়ার মতো একটি ফুলকে ধর্ষণ করতে না পেরে হত্যা করেছিলো। তাদের ডেকে এনে জিজ্ঞেস করুন এই দস্যি মেয়েদের দুরন্ত গতি দেখলে তাদের কামভাব জেগে ওঠে কিনা? যাহোক,এসব অনেক কথাই বলা যায়। ওরা প্রমাণ করেছে কোন খেলা কারো বাপ দাদার কেনা সম্পত্তি নয়। নিজের যোগ্যতায় কঠোর পরিশ্রম এবং সাধনা করেই এই সাফল্য ও সম্মান তারা অর্জন করেছে। 

অভিনন্দন বাঙলার দামাল দস্যু মেয়েরা। তোমরা নির্মাণে তোমাদের নাম লেখাও। ভোগে নয়। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ