শিরোনাম
◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা ◈ জামিন প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন, ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৫৬ দুপুর
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টাকার ঘাটতিতে সব ব্যাংক সংস্কার একসঙ্গে সম্ভব নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর

একসঙ্গে সব দুর্বল ব্যাংক ঠিক করা সম্ভব নয়: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, টাকার ঘাটতি রয়েছে, বর্তমানে একসঙ্গে সব দুর্বল ব্যাংক ঠিক করা সম্ভব নয়।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোক বক্তৃতায় এসব কথা বলেন গভর্নর।

গভর্নর বলেন, কিছু খারাপ ব্যাংক ছিল; তাদের টাকা ছাপিয়ে দিতে হয়েছে। বর্তমানে টাকার ঘাটতি রয়েছে। এজন্য একসঙ্গে সব ব্যাংক ঠিক করা সম্ভব নয়। আগামীতে সরকারি ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে, পরে আবার বেসরকারি ব্যাংক ঠিক করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপি শতভাগ কাভারেজ না হলে কোনো ব্যাংক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে পারবে না। এতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। দুর্বল ব্যাংক কোনোভাবেই ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঋণ খেলাপি ৩০ শতাংশে নামানোর এবং পরবর্তী বছরের মার্চে ২৫ শতাংশে নামানোর কাজ করছে।

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক দুটি রেখে বাকিগুলো সরকার মার্জ করার পরিকল্পনা করছে জানিয়ে ড. মনসুর বলেন, বাংলাদেশে ১৫টি ব্যাংকের বেশি প্রয়োজন নেই। আগামী ২-৩ বছরে ১২-১৩টি ব্যাংক ঠিক করা হবে।
 
বাংলাদেশ ব্যাংক রেজুলেশন ফার্ম করতে চায় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এজন্য ব্যাংকগুলোর অর্থায়নে একটি ফান্ড তৈরি করা হবে। এই ফান্ড গঠন করা হলে সংকটের সময় সরকারের কাছে হাত পাততে হবে না।
 
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকিং খাতে কোনোভাবেই যেন ব্যক্তিকেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। দুর্বৃত্তায়ন, অনিয়ম, পরিবারতন্ত্র এবং সুশাসনের অভাবে ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে, যা হয়ত পাচারও হয়ে থাকতে পারে।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক পুরোপুরি স্বাধীন না হলেও স্বাধীনভাবে কাজ করছে। তবে ভবিষ্যতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। আগামী দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
 
রাজস্ব ফাঁকির প্রধান উপায় ক্যাশ, তাই দেশে ক্যাশলেস সোসাইটি করতে পারলে বছরে রাজস্ব আদায় দেড় থেকে দুই লাখ কোটি টাকা বাড়বে বলেও জানিয়েছেন গভর্নর ড. মনসুর।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়