দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধানে বক্তব্য দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে তিনি দুদকের কাছে ৩০ দিন সময় চেয়েছেন।
আজ সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে শফিউদ্দিন আহমেদের হাজির হয়ে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি সময় চাওয়ায় এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম।
দুদকের এই কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ তাঁর দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। তিনি ৩০ দিনের সময় চেয়েছেন। এখন আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এর আগে অভিযোগের অনুসন্ধানে বক্তব্য নেওয়ার জন্য শফিউদ্দিন আহমেদকে নোটিশ দেয় দুদক। কমিশনের পরিচালক মো. আবুল হাসনাত স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে বলা হয়েছিল।
নোটিশে বলা হয়, অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য শোনা ও রেকর্ড করা সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে ‘অপরিহার্য’।
দুদক সূত্র জানায়, জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর। দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের নেতৃত্বে একটি দল অভিযোগটি অনুসন্ধান করছে।
তবে এখনো অনুসন্ধান শেষ হয়নি। অনুসন্ধান শেষে সংশ্লিষ্ট দল কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দেবে। অভিযোগের পক্ষে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন।
জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের ২৪ জুন সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নেন। তিনি জেনারেল আজিজ আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রায় তিন বছর সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের ২৩ জুন অবসরে যান তিনি।