শিরোনাম
◈ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেই হবে সাইবার সুরক্ষা আইন: তথ্যমন্ত্রী ◈ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস  বাণিজ্যে আ‌মে‌রিকার পর রাশিয়ারও নজর এবার বাংলাদেশে ◈ নারী এশিয়া কা‌পের সে‌মিফাইনা‌লে আজ রা‌তে বাংলা‌দেশ-ভারত মু‌খোমু‌খি ◈ ভার‌তে ব্রিকস স‌ম্মেল‌নে যা‌চ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী : হুমায়ুন কবির ◈ তৃতীয় এলএনজি টার্মিনালে খরুচে চীনা কোম্পানিকেই কেন সরকারের পছন্দ ◈ শিক্ষককে হানিট্র্যাপে ফেলে টাকা আদায়, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ◈ যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে বড় আঘাত করল ইরান ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় পরিচয় নয়, বৈধ প্রার্থিতাই মূল: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ◈ মির্জা ফখরুলের ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর ◈ প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা ফিরছে, অনুমোদনের পর প্রস্তাব উঠবে সংসদে

প্রকাশিত : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০২:৫৫ দুপুর
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০২:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেই হবে সাইবার সুরক্ষা আইন: তথ্যমন্ত্রী

ভবিষ্যতে সাইবার সুরক্ষা আইন ব্যবহার করে গণমাধ্যম কিংবা কোনো ব্যক্তির কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। এমনভাবে আইনটি প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।

তার ভাষ্য, অতীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করতে ব্যবহারের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নতুন আইনে যাতে সেই সুযোগ তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, গত ১৭ থেকে ২০ বছরে কিছু সংবাদমাধ্যমকে দমিয়ে রাখতে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ব্যবহার করা হয়েছে। তার মতে, একটি আইন এক দিনের জন্য তৈরি হয় না। তাই আইনের কোনো শব্দ বা বিধান যেন ভবিষ্যতে অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না করে, সে বিষয়ে সতর্কভাবে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নতুন আইনের অন্যতম লক্ষ্য সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও নৈতিকতার অবক্ষয় ঠেকানো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণতন্ত্রের নামে গালিগালাজ, অপমানজনক ভাষা ও নানা ধরনের কর্মকাণ্ড কীভাবে আইনের আওতায় আনা যায়, একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও কীভাবে নিশ্চিত করা যায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

আগের মতো কারও কণ্ঠ দমন করার জন্য এই আইন বানানো হচ্ছে না। বর্তমানে আইনটির খসড়া প্রণয়ন ও আলোচনা চলছে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় উপস্থিত টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, মেটা, টিকটক ও ইউটিউবের মতো সাইবার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত বিভিন্ন কনটেন্ট নিয়ে সরকার বেশি উদ্বিগ্ন। এসব মাধ্যমে ব্যক্তির চরিত্র হনন, পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক ক্ষতির মতো ঘটনা ঘটছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ফকির মাহবুব আনাম জানান, এসব ক্ষতিকর কনটেন্ট কীভাবে বন্ধ করা যায়, বৈঠকে মূলত তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে একটি কার্যকর আইন প্রণয়নের লক্ষ্যেই আলোচনা এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে যেসব নেতিবাচক কর্মকাণ্ড হচ্ছে, সেগুলো থেকে দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আইসিটি, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, তথ্য ও আইন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এ-সংক্রান্ত একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইন্টারনেটের ক্ষতিকর দিক থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেয়ার পাশাপাশি একটি যুগোপযোগী আইন প্রণয়নই কমিটির লক্ষ্য।া

 

  • সর্বশেষ