শিরোনাম
◈ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ চার রুটে লংমার্চ, সর্বাত্মক সফলতার আহ্বান জামায়াতের ◈ প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ প্রিন্স সালমানের ◈ কৃষিতে ঋণ বিতরণে ব্যাংকের বাধ্যবাধকতা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ হাম উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৭ জনের ◈ জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ মেয়ের বিয়ের বাজারের টাকা হারিয়ে ফেললেন বাবা, পেয়ে ফিরিয়ে দিলেন পুলিশ ◈ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি ◈ বিবাহিত দম্পতির ফ্ল্যাটে ‘লিভ ইন সন্দেহে’ বিশ্ববিদ্যালয় ৪ ছাত্রের হামলাচেষ্টা ◈ ছয় মাসে কূটনৈতিক মোড় ঘুরিয়েছে সরকার: মাহদী আমিন ◈ পে-স্কেল নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত শিগগিরই, বাস্তবায়ন এ বছরেই: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:২২ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:২১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোবাইল-টাকা ছিনতাই করে শিক্ষার্থী হত্যা, তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

‎বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মো. ওয়াজেদ আলম সীমান্ত (২০) হত্যা মামলার রায়ে তিন আসামিকেই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।

নিহত ওয়াজেদ আলী সীমান্ত দেওভোগের শুক্কুরকারি মসজিদ গলির মো. আলম পারভেজের ছেলে এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- পেশাদার ছিনতাইকারী অনিক, আকাশ ও চান্দি বাবু।

‎২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর শীতের কুয়াশা ঘেরা সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় নগরীর দেওভোগের মিন্নত আলী শাহ সাহেবের মাজারের সামনে তাকে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা। এ সময় তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও এক হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই বছরের ১৪ ডিসেম্বর দিনগত রাত ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আলম পারভেজ বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নগরীর চিহ্নিত অভিযুক্ত তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে ছিনতাই ও ছুরিকাঘাতের কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক হত্যাকাণ্ডের ২০ মাসের মাথায় তিন আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।

‎রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহ বিপু জানান, এ মামলার মোট ২৭ জন সাক্ষী ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন সাক্ষী দিয়েছেন। তাদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে জেলা জজ এ রায় ঘোষণা করেন।

সীমান্তের বাবা আলম পারভেজ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমার মতো আর কারো সন্তান যেন ছিনতাইকারীর হাতে প্রাণ না হারায়, কোনো মায়ের বুক যেন আর খালি না হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের উচ্চ আদালতের মাধ্যমে রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান তিনি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়