শিরোনাম
◈ গঙ্গার পানি নিয়ে নতুন সমঝোতা, বড় পরীক্ষার মুখে ঢাকা-দিল্লি ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, জোরদার চেকপোস্ট-তল্লাশি ◈ প্রধানমন্ত্রী চাইলে যেকোনো সময় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন করতে পারেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ◈ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াটাও কঠিন হয়ে যাবে একদিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ, অক্ষত ৩৩ হাজার টন ডিজেল ◈ তারেক রহমানের ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি প্রায় নিশ্চিত ◈ একদিন পর জাতীয় গ্রিডে আবারও সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু ◈ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২৬, ০২:৪৬ দুপুর
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন ১২৭ বার পেছালো

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পি‌ছিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপ‌লিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।

তবে এদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই-এর তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২২ জুলাই নতুন দিন ধার্য করেন।

এ নিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৭ বার পেছালো। সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে র‌্যাবের কাছে তদন্তাধীন ছিল।

বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের আদেশ দেন হাইকোর্ট। বর্তমানে পিবিআই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এ মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অপর আসামিরা হলেন- বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। যাদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে রয়েছেন।  

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা।

এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর। এর দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব)।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়