শিরোনাম
◈ গঙ্গার পানি নিয়ে নতুন সমঝোতা, বড় পরীক্ষার মুখে ঢাকা-দিল্লি ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, জোরদার চেকপোস্ট-তল্লাশি ◈ প্রধানমন্ত্রী চাইলে যেকোনো সময় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন করতে পারেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ◈ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াটাও কঠিন হয়ে যাবে একদিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ, অক্ষত ৩৩ হাজার টন ডিজেল ◈ তারেক রহমানের ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি প্রায় নিশ্চিত ◈ একদিন পর জাতীয় গ্রিডে আবারও সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু ◈ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২৬, ০২:১১ দুপুর
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রামিসা হত্যাকাণ্ডে দুই আসামির ভাগ্য নির্ধারণ রবিবার

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায়ের জন্য আগামী রোববার (৭ জুন) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই দিন ঠিক করা হয়।

এদিকে বুধবার (৩ জুন) আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলার শুনানিতে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য ছিল। সকালে সোহেল ও স্বপ্নাকে কারাগার থেকে আদালত প্রাঙ্গণে এনে রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। বেলা পৌনে ১১টার দিকে সোহেলকে, আর বেলা ১১টার দিকে স্বপ্নাকে হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হয়। ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে আসার পর বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

মামলার সমস্ত অভিযোগ ও সাক্ষীদের জবানবন্দি দুই আসামির সামনে পড়ে শোনান বিচারক। তারপর আসামিদের বক্তব্য শুনতে চান। এ সময় কাঠগড়ায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা নির্বিকার দাঁড়িয়ে থাকলেও, কান্নায় ভেঙে পড়েন তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম।
 
আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু আগামীকাল বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্কের জন্য দিন নির্ধারণের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২ জুন মাত্র এক দিনেই এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। মামলায় রামিসার বাবা, মা, বোন ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।
 
গত ২৪ মে আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এতে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা এবং তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
 
দুই আসামির বিরুদ্ধে সোমবার (১ জুন) ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গোপনের অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
 
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে আদালত পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১ জুন অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তদন্তে ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
 
মামলা সূত্রে জানা যায়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল রামিসা। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা।

এক পর্যায়ে আসামির ঘরের সামনে শিশুটির একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং আশপাশের ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর দেখতে পান সোহেল রানার শোবার ঘরের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ। আর তার মাথা পড়ে রয়েছে বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে।
 
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
 
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। গ্রেফতার আসামি সোহেল রানা ২০ মে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়