শিরোনাম
◈ গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: পেট্রোবাংলা ◈ প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান নিয়ে সুখবর ◈ রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্ধারণের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিলো বিএনপি ◈ র‍্যাবের ‘আয়নাঘরে’ ৭ ‘ডেথ সেল’, মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য (ভিডিও) ◈ সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় দেশজুড়ে কড়া সতর্কতা ◈ কারাতে দক্ষতার প্রদর্শন, কাঠের তক্তা ভাঙলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ (ভিডিও) ◈ দেশের সব বন্দরে ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশি হিন্দুরা অনুপ্রবেশকারী নয়, তারা শরণার্থী: শুভেন্দু ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ, আগামী সপ্তাহে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ী ◈ সম্পত্তি লিখে দিলেও থাকবে বাবা-মায়ের অধিকার, সম্পত্তি আইনে আসছে যুগান্তকারী সংশোধন

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ৩১ জুলাই, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাইরে তেলের সংকট, সংসদে নেই: জ্বালানি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ বিরোধীদলীয় নেতার

মনিরুল ইসলাম : দেশের বর্তমান জ্বালানি ও গ্যাস সংকটকে এই মুহূর্তের 'সবচেয়ে বার্নিং ইস্যু' হিসেবে আখ্যা দিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সরকার জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে যে তথ্য দিচ্ছে তার সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই এবং জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে এই সংকটে চুপ থাকা সংসদ সদস্যদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য একটি মূলতবি প্রস্তাব করেন বিরোধীদলীয় নেতা। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। 

বক্তব্যের শুরুতেই ড. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ প্রত্যাশা করছে এই সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনা হবে। এটি এখন দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা। কিন্তু আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আলোচনা করতে পারছি না, এটা কি আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য নয়? পত্রিকার রিপোর্ট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাইরে আমি নিজে বাস্তবে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেছি এবং দেখেছি সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা অসন্তোষ বিরাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, সংসদের প্রতিটি সেকেন্ড ব্যয় হচ্ছে জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। এই প্রতিষ্ঠান জনগণের সম্পদ দিয়ে গড়া। আমরা এখানে নিজেদের প্রয়োজনে আসিনি, জনগণ তাদের প্রয়োজনে আমাদের পাঠিয়েছে। যদি জনগণের এই চরম দুর্ভোগের সময় তাদের কথাগুলো সংসদে বলতে না পারি, তবে এখানে থাকার কোনো সার্থকতা নেই।

সরকারের পরিসংখ্যান ও বক্তব্যের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, আমি বাস্তবের সাথে তার কোনো মিল খুঁজে পাইনি। একদিকে সংসদে বলা হচ্ছে তেলের কোনো সংকট নাই, অন্যদিকে সংসদের বাইরে তেলের জন্য মানুষ হাহাকার করছে। সংকট আছে বলেই আজ হাইকোর্টের মতো সংবেদনশীল জায়গায় ভার্চুয়ালি কাজ করতে হচ্ছে। সংকট না থাকলে এমন সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো?

ড. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা বুঝি এটি একটি গ্লোবাল মেটার এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সমস্যা হচ্ছে। আমরা বারবার বলছি আমরা সবাই মিলে এখানে কন্ট্রিবিউট করতে চাই। পরিস্থিতি সহজ করার জন্য আমাদের মতামত দিতে চাই। কিন্তু সব দায়িত্ব যদি শুধু সরকারি দলই পালন করে, তবে আমরা নাগরিক বা জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতা পালন করব কীভাবে?

তিনি স্পিকারের উদ্দেশ্যে বলেন, এই সংকট এই মুহূর্তের গুরুতর সমস্যা। কারণ গোটা অর্থনীতির চাকাই নির্ভর করে পাওয়ার বা শক্তির ওপর, যার কাঁচামাল হলো এই জ্বালানি। তাই দায়সারাভাবে নিষ্পত্তি না করে, মাননীয় সংসদ নেতার উপস্থিতিতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য সময় বরাদ্দ করা হোক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়