শিরোনাম
◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন ◈ বাজেটের আকারে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ছাড়িয়ে গেছে কয়েকটি ধনী দেশকে ◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাইরে তেলের সংকট, সংসদে নেই: জ্বালানি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ বিরোধীদলীয় নেতার

মনিরুল ইসলাম : দেশের বর্তমান জ্বালানি ও গ্যাস সংকটকে এই মুহূর্তের 'সবচেয়ে বার্নিং ইস্যু' হিসেবে আখ্যা দিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সরকার জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে যে তথ্য দিচ্ছে তার সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই এবং জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে এই সংকটে চুপ থাকা সংসদ সদস্যদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য একটি মূলতবি প্রস্তাব করেন বিরোধীদলীয় নেতা। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। 

বক্তব্যের শুরুতেই ড. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ প্রত্যাশা করছে এই সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনা হবে। এটি এখন দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা। কিন্তু আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আলোচনা করতে পারছি না, এটা কি আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য নয়? পত্রিকার রিপোর্ট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাইরে আমি নিজে বাস্তবে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেছি এবং দেখেছি সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা অসন্তোষ বিরাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, সংসদের প্রতিটি সেকেন্ড ব্যয় হচ্ছে জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। এই প্রতিষ্ঠান জনগণের সম্পদ দিয়ে গড়া। আমরা এখানে নিজেদের প্রয়োজনে আসিনি, জনগণ তাদের প্রয়োজনে আমাদের পাঠিয়েছে। যদি জনগণের এই চরম দুর্ভোগের সময় তাদের কথাগুলো সংসদে বলতে না পারি, তবে এখানে থাকার কোনো সার্থকতা নেই।

সরকারের পরিসংখ্যান ও বক্তব্যের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, আমি বাস্তবের সাথে তার কোনো মিল খুঁজে পাইনি। একদিকে সংসদে বলা হচ্ছে তেলের কোনো সংকট নাই, অন্যদিকে সংসদের বাইরে তেলের জন্য মানুষ হাহাকার করছে। সংকট আছে বলেই আজ হাইকোর্টের মতো সংবেদনশীল জায়গায় ভার্চুয়ালি কাজ করতে হচ্ছে। সংকট না থাকলে এমন সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো?

ড. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা বুঝি এটি একটি গ্লোবাল মেটার এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সমস্যা হচ্ছে। আমরা বারবার বলছি আমরা সবাই মিলে এখানে কন্ট্রিবিউট করতে চাই। পরিস্থিতি সহজ করার জন্য আমাদের মতামত দিতে চাই। কিন্তু সব দায়িত্ব যদি শুধু সরকারি দলই পালন করে, তবে আমরা নাগরিক বা জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতা পালন করব কীভাবে?

তিনি স্পিকারের উদ্দেশ্যে বলেন, এই সংকট এই মুহূর্তের গুরুতর সমস্যা। কারণ গোটা অর্থনীতির চাকাই নির্ভর করে পাওয়ার বা শক্তির ওপর, যার কাঁচামাল হলো এই জ্বালানি। তাই দায়সারাভাবে নিষ্পত্তি না করে, মাননীয় সংসদ নেতার উপস্থিতিতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য সময় বরাদ্দ করা হোক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়