শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০২২, ০৩:৫০ রাত
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২২, ১০:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৭ বছরেও সিরিজ বোমা হামলার বিচার শেষ হয়নি

সিরিজ বোমা হামলা

মারুফ হাসান: দেশজুড়ে সিরিজ বোমা হামলার ১৭ বছরপূর্তি আজ। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) নামের একটি জঙ্গী সংগঠন পরিকল্পিতভাবে দেশের ৬৩ জেলায় একই সময়ে বোমা হামলা চালায়। মুন্সীগঞ্জ ছাড়া সব জেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক পয়েন্টে বোমা হামলায় দু’জন নিহত ও অন্তত ১০৪ জন আহত হন।

দেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিয়েছিলো জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)। সেই ঘটনায় করা ১৫৯ মামলাগুলোর মধ্যে এখনো ৪১টি বিচারাধীন রয়েছে। এসব হামলা মামলায় ৫৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হামলার ১৮ বছরের মধ্যে ১১৮টি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। তদন্ত শেষে এসব মামলায় ৭৩৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। ১৯৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয় আদালত। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে ২৮১ জনকে অভিযোগ থেকে খালাস দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ড রায় দেয়া হয়েছে ১৫ জনকে।

পুলিশ সদর দফতর ও র‌্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ডিএমপিতে ১৮টি, সিএমপিতে ৮টি, আরএমপিতে ৪টি, কেএমপিতে ৩টি, বিএমপিতে ১২টি, এসএমপিতে ১০টি, ঢাকা রেঞ্জে ২৩টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১টি, রাজশাহী রেঞ্জে ৭টি, খুলনা রেঞ্জে ২৩টি, বরিশাল রেঞ্জে ৭টি, সিলেট রেঞ্জে ১৬টি, রংপুর রেঞ্জে ৮টি, ময়মনসিংহ রেঞ্জে ৬টি ও রেলওয়ে রেঞ্জে ৩টি মামলা করা হয়। যার মধ্যে ১৪২টি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। বাকি ১৭টি মামলায় ঘটনার সত্যতা থাকলেও আসামি শনাক্ত করতে না পারায় চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়। এসব মামলায় এজাহারভূক্ত আসামি ছিল ১৩০ জন। গ্রেপ্তার করা হয় ৯৬১ জনকে। ১ হাজার ৭২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

ঢাকা মহানগর আদালত সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগর এলাকায় এই ১৮টি মামলায় পুলিশ ও র‌্যাব ৯১ জনকে গ্রেপ্তার করে। ৫৬ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ চার্জশিট দেয়। অনেক মামলায় আসামিদের নাম ও ঠিকানা কিছুই নেই বা ছিলো না। সাক্ষীদেরও ঠিকমত পাওয়া যায়নি। অনেক সাক্ষী সাক্ষ্য দিতেও আসেননি। বেশির ভাগ সাক্ষীর ঠিকানাও পরিবর্তন হয়েছে। এ কারণে ১৪টি মামলায় মাত্র ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয় আদালত। বাকি ৪টি মামলা বিচারাধীন পর্যায়ে আছে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

 

  • সর্বশেষ