শিরোনাম
◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়? ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস, ওঠা যাবে যেসব স্টেশন থেকে ◈ ওয়ান‌ডে সি‌রি‌জে অ‌স্ট্রেলিয়ার কা‌ছে হোয়াইট ওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল  ◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ভারতের আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা: নেহা বোরা (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ ◈ আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ◈ রাজধানীর ধানমন্ডিতে বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা জানাগেল ◈ লাল কার্ড পে‌লেন ওলিস, ৬ গোলের রোমাঞ্চে বায়ার্ন মিউনিখ‌কে রুখে দিলো ভাইকিং ◈ রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫৮ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করতে শিশুর অঙ্গহানি, কঠোর শাস্তি দিল আদালত

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ৭ বছরের এক শিশুকে অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার দায়ে ৩ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ২ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- সালাহউদ্দিন, মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া ও খন্দকার ওমর ফারুক। বয়স বিবেচনায় ১০ বছর করে কারাদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলো, মো. রমজান ও সাদ্দাম। এ মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় কাউসার ও নাজমা আক্তার নামের দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেক দণ্ডিতকে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে জরিমানার টাকা ভুক্তভোগী পরিবারকে হস্তান্তর করতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ও খন্দকার ওমর ফারুক কারাগারে আছে। তবে পলাতক সালাহউদ্দিন, রমজান ও সাদ্দামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১০ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর মো. উমেদ আলীর ৭ বছর বয়সী ছেলে নিয়ামুল বাড়ির বাইরে খেলতে যায়। সে সময় আসামিরা তাকে কামরাঙ্গীরচর থানার পাকাপুল রোডের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে লিঙ্গ কেটে ফেলা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে জখম করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করে।

তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৫ই মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র?্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক এএসপি মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটির বিচারকালে ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

 

  • সর্বশেষ