শিরোনাম
◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়? ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস, ওঠা যাবে যেসব স্টেশন থেকে ◈ ওয়ান‌ডে সি‌রি‌জে অ‌স্ট্রেলিয়ার কা‌ছে হোয়াইট ওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল  ◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ভারতের আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা: নেহা বোরা (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ ◈ আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ◈ রাজধানীর ধানমন্ডিতে বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা জানাগেল ◈ লাল কার্ড পে‌লেন ওলিস, ৬ গোলের রোমাঞ্চে বায়ার্ন মিউনিখ‌কে রুখে দিলো ভাইকিং ◈ রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:৪৯ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মঙ্গল শোভাযাত্রা স্থায়ীভাবে বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ঈমান, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাংবিধানিক অধিকার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হওয়ার আশঙ্কায় পহেলা বৈশাখে অনুষ্ঠিত মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন।

রিটে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা জেলা প্রশাসক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং চারুকলা অনুষদের ডিনকে বিবাদী করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রিটকারী আইনজীবী বলেন, বাংলাদেশ সরকার জনরোষের ভয়ে মাঝে মাঝে এই মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে। আবার কিছুদিন পরেই পুনরায় মঙ্গল শোভাযাত্রা নামেই ফিরে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সমাধানের জন্য হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement

রিট আবেদনে বলা হয়, মঙ্গল শোভাযাত্রা কোনও প্রাচীন বাঙালি ঐতিহ্য নয়; বরং এটি ১৯৮৯ সালে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামে শুরু হওয়া একটি নবসৃষ্ট ও কৃত্রিম কার্যক্রম; যা পরবর্তী সময়ে নাম পরিবর্তন করে পহেলা বৈশাখের মূল সংস্কৃতির সঙ্গে কৌশলে যুক্ত করা হয়েছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে, পাখি, মাছ ও পশুর বিশালাকৃতির প্রতিকৃতি বহন করে মঙ্গল বা কল্যাণ প্রার্থনা করা ইসলামী আকিদা ও ইমানের সম্পূর্ণ পরিপন্থি, কারণ মুসলমান কেবলমাত্র আল্লাহর কাছেই মঙ্গল বা কল্যাণ প্রার্থনা করতে পারে।

রিটে বলা হয়, মঙ্গল শোভাযাত্রায় ব্যবহৃত বহু প্রতিকৃতি হিন্দু ধর্মীয় বিভিন্ন প্রতীকের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত, যা মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র ধর্মীয় ক্ষোভ সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে দেশে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের বাস্তব, আসন্ন এবং অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতি সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনগণের ‘আইনের সুরক্ষা’ ও ‘জীবনের অধিকারে’র সরাসরি লঙ্ঘন।

আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন রিটে উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এই নবসৃষ্ট ও কৃত্রিম কার্যক্রম চাপিয়ে দেওয়া সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূত; যা সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থি।

তিনি আরও বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ইমান আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, জননিরাপত্তা এবং জাতীয় স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

রিটে পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজন, প্রচার, অনুমোদন বা যেকোনোভাবে পরিচালনা থেকে বিবাদীদের বিরত রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

 

  • সর্বশেষ