শিরোনাম
◈ জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে ◈ সিএনজি-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৩ ◈ জুলাই ও অন্তর্বর্তী সরকারকে বিতর্কিত করার বয়ান ‘আওয়ামী লীগের বয়ান’: শফিকুল আলম ◈ ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের পরামর্শে কিটো ডায়েটে রোগীর মৃত্যু, তদন্তে কমিটি ◈ হাম-উপসর্গে হাজারের পথে মৃত্যু, একদিনে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের ◈ এরপর ঢাকায় লংমার্চ হবে, চিড়ামুড়ি নিয়ে চলে আসবেন: জামায়াত আমির ◈ নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই : কাদায় চাপা পড়েছে সব ◈ আন্তর্জাতিক চাপ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট সমাধান কঠিন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ ভা‌লো হ‌লো না দুই বো‌নের প্রত্যাবর্তনটা, হে‌রেই বিদায় ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে ভারত সফর নয়, দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৩৮ রাত
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে ক্ষমতায় টিকে থাকার মাস্টারপ্ল্যান ছিল: তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বিচারপতি শামীম

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বারবার ক্ষমতায় আসার পথে প্রতিবন্ধকতা ছিল। এটি বাতিলে ২০০৮ সালের পর মাস্টারপ্ল্যান করা হয় বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার হাতে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর নির্বাচনের নানা অভিযোগ নিয়ে গঠিত তদন্ত প্রতিবেদন তুলে দেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি শামীম হাসনাইন। পরে এ নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

নির্বাচন পদ্ধতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ২০০৮ সালের পর মাস্টারপ্ল্যান হয়েছে উল্লেখ করে বিচারপতি শামীম বলেন, উদ্দেশ্য ছিল কেয়ারটেকার গভর্নমেন্ট বাতিল করা। যেকোনো উপায়ে ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতায় থাকার পথে কেয়ারটেকার সরকার বড় বাঁধা ছিল। পরবর্তীতে বেছে বেছে নিজেদের লোকজন দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মেধাবী অফিসারদের বাইপাস করে যেকোনো উপায়ে মোটিভেশন দিয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। অনুগত কর্মকর্তাদের রাখা হয়েছে। ইলেক্ট্রো মেকানিজম করা হয়েছে। ভোট গণনায় অসামঞ্জস্য ছিল।

বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তথ্য তুলে ধরে তদন্ত কমিটির প্রধান বলেন, পুলিশের ডিসি সমপর্যায়ের অফিসার, সেনা সদস্য, এনএসআই, ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তাদের ডেকে ইন্টারোগেট করা হয়েছে। এতে সেনাবাহিনীর একটি অংশ জড়িত ছিল। সাবেক প্রধান বিচারপতিকেও ইন্টারোগেট করা হয়েছে।

টিআইবিসহ একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্টও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

সাবেক এই বিচারপতি আরও বলেন, দেশে পরপর ৩টা নির্বাচন ছিল সম্পূর্ণ বলপ্রয়োগের নির্বাচন। যদিও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার জন্য পরিকল্পনা সাজানো হয়। তবে নির্বাচনের আগের রাতেই ব্যালটে সিল মেরে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করে রাখা হয়। আর ২০২৪ সালে ডামি প্রার্থী দাঁড় করিয়ে নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার চেষ্টা চালানো হয়। সূত্র: সময়

  • সর্বশেষ