শিরোনাম
◈ বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী হচ্ছে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ কবে কোথায় আঘাত হানতে পারে যা জানাগেল ◈ ধানের শীষে নির্বাচন করতে সালাহউদ্দিনের বাসায় গিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ: রাশেদ খাঁন ◈ মালয়েশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে বাংলাদেশ, আলোচনা শুরু মঙ্গলবার ◈ মহাসড়ক সংস্কারে অনিয়ম ঠেকাতে আসছে নতুন নীতিমালা ◈ বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল নেপাল ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন নিয়ম: দৈনিক ৩৫০০ পর্যটকের অনুমতি, যাওয়া যাবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ◈ গ্যাস সংকটে দুই দিন পরই বন্ধ যমুনা সার কারখানার উৎপাদন ◈ ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন, অস্থিরতা বরদাশত করবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ টঙ্গীতে ৭ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে জাপানে যাচ্ছেন যারা

প্রকাশিত : ০১ আগস্ট, ২০২৪, ০১:০৫ দুপুর
আপডেট : ১১ মে, ২০২৫, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটিকে

নাশকতাকারীদের তথ্য চেয়ে সরকারের চিঠি

ইস্রাফিল ফকির: [২] সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি’কে সরকারের পক্ষ থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে দেশে সহিংসতায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তথ্য চাওয়া হয়েছে । এবং তাদের তালিকা প্রস্তুত করে তা প্রতিবেদন আকারে বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে। সূত্র: আরটিভি

[৩] বুধবার (৩১ জুলাই) এ-সংক্রান্ত চিঠি সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পাঠানো হয়েছে।

[৪] চিঠিতে বলা হয়, ২০১৩ সালের ৭ মার্চ দেশের মহানগর, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি’ গঠন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সব বিভাগীয় কমিশনারদের চিঠি পাঠানো হয়েছিল। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে উক্ত পত্রের আলোকে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। উল্লেখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হলো।

[৫] মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দশম জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াত জোট দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলে। এর অংশ হিসেবে ওই সময় দেশব্যাপী সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২০১৩ সালের ৭ মার্চ দেশের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি’গঠন করে সরকার। নির্বাচনের পর নিস্ক্রীয় হয়ে পড়ে ওই কমিটি। মূলত এই কমিটি পুনরুজ্জীবিত করে এর মাধ্যমে চলমান সহিংসতা ও নাশকতাকারীদের তথ্য-উপাত্ত নেবে সরকার।

[৬] সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি’র চিঠিতে বলা হয়েছিল, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিদ্যমান ‘সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি’র প্রধান হবেন। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যথাক্রমে জেলা ও উপজেলা কমিটির সভায় উপদেষ্টা হিসেবে অংশ নেবেন। সম্পাদনা: রাশিদ

আর/আইএফ 

  • সর্বশেষ