শিরোনাম
◈ ইরান যুদ্ধের অভিঘাত: তেলের দামে উল্লম্ফন, চাপে বিশ্ব অর্থনীতি ◈ ব্যাংকে হামলার পর কড়া বার্তা ইরানের, লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অর্থনৈতিক কেন্দ্র ◈ আপৎকালীন জ্বালানির জন্য ভারতের কাছে ডিজেল চাওয়া হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী ◈ ‘চতুর্থ উত্তরসূরী’: ইরানের দীর্ঘ যুদ্ধের পরিকল্পনা ◈ দায়িত্বের বাইরে মন্তব্য না করতে মন্ত্রী-এমপিদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দেশ ক্রিকেট বো‌র্ডের নির্বাচনে অনিয়ম ও কারসাজি তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ◈ রানার আগুনে বোলিং, পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ ◈ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ◈ বিদেশি ঋণে চাপ বাড়ছে: পাওয়ার চেয়ে পরিশোধেই বেশি ব্যয় ◈ জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৫:৫৬ বিকাল
আপডেট : ০৪ মার্চ, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

রুহুল আমিন গাজীকে একুশে পদক দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা 

মনিরুল ইসলাম :  বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীকে একুশে পদক দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন তার রাস্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া দরকার। আজকের এই সরকার তার মতো মানুষের বিপ্লবীক সংগ্রামের ফসল।

২৪ এর জুলাই আন্দোলনে অকুতোভয় সৈনিকের মতো ভূমিকা এবং ৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সবসময় তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে বিএফইউজে এবং ডিইউজের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিইউজে সভাপতি শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। এরপর রুহুল আমিন গাজীর রুহের মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।

আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি  হাসান হাফিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন।

আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, মুরসালিন নোমানী, ডিইউজের সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিক মুহাম্মদ, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল বাশার, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোদাব্বের হোসেন, ডিইউজের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন, উইমেন জার্নালিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লাবিন রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শাহনাজ পলি, সিনিয়র সাংবাদিক হারুন জামিল, মুন্সীগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি বিপ্লব হাসান।

রুহুল আমিন গাজীর ছেলে আফফান আবরার আমিন, দুই মেয়ে এবং স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আফফান আবরার আমিন তার পিতার কথা স্মরণ করে আবেগঘন বক্তব্য দেন।

কাদের গণি চৌধুরী বলেন, রুহুল আমীন গাজী একজন সাহসী সাংবাদিক নেতার না। তিনি ছিলেন আপোষহীন।  ফ্যাসিষ্ট সরকার তাকে ১৭ মাস বেআইনী ভাবে কারাগারে বন্দী রাখেন। গাজী ভাই আপোষ করলে  জেল খাটতে হতো না। তিনি ফ্যাসিষ্ট সরকারের সাথে আপোষ করেননি।

তিনি বলেন, রুহুল আমীন গাজী ভাই ছিলেন একজন ইউনিয়নবাদী লোক। তার সাথে আমি একই প্যানেলে নির্বাচন করেছি। তার সততা, সাংবাদিকদের প্রতি দরদের সীমা ছিলো না। নীতি- নৈতিকতা নিয়ে তিনি চলতেন। তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের শপথ হবে তার আদর্শকে এগিয়ে নেওয়া। 

গাজী ভাইয়ের আদর্শ ও তার দেখানো পথে সাংবাদিকদের চলার আহ্বান জানান তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়