তীব্র গরমে শরীরে পানিশূন্যতা, ক্লান্তি ও দুর্বলতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমন সময়ে খাদ্যতালিকায় দই রাখা শরীরকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে। দইয়ে থাকা পানি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখে এবং অতিরিক্ত গরমে শরীরকে স্বস্তি দিতে পারে।
দইয়ে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি-১২, জিংক ও ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। নিয়মিত দই খেলে শরীরের ক্লান্তি কমতে পারে এবং মেজাজও ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।
হজমশক্তি বাড়াতে সহায়ক
দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে। ফলে হজমপ্রক্রিয়া ভালো রাখতে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সমর্থন করতে দই উপকারী হতে পারে।
হৃদ্যন্ত্রের জন্যও উপকারী
দই খাদ্যতালিকায় রাখলে খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও এর ভূমিকা রয়েছে। এসব কারণে নিয়মিত পরিমিত দই খাওয়া হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
দই খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি হতে পারে। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। এ কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও দই সহায়ক খাবার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সহায়ক
দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত দই খাওয়া হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে এবং হাড়সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।
ত্বক ও চুলের যত্নে
দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বক ও চুলের জন্যও উপকারী। নিয়মিত দই খেলে চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেতে পারে এবং চুল পড়ার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে। পাশাপাশি ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা কমাতেও এটি সহায়তা করতে পারে।
তবে দই খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ ও ধরন গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত চিনি মেশানো দইয়ের বদলে পরিমিত পরিমাণে সাধারণ বা কম চিনি দেওয়া দই বেছে নেওয়াই ভালো।
সূত্র: যুগান্তর