শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৯ মে, ২০২৬, ১০:৪১ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাকা আমের আঁটিতে লুকিয়ে আছে নানা স্বাস্থ্যগুণ

আম অনেকের প্রিয় ফল। তবে শুধু আম নয়, এর আঁটিতেও লুকিয়ে থাকতে পারে নানা স্বাস্থ্যগুণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমের আঁটির গুঁড়ো কোলেস্টেরল কমানো থেকে শুরু করে হজমের সমস্যাতেও উপকারে আসতে পারে। যে অংশটিকে সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়, সেটিই হতে পারে শরীর ভালো রাখার এক প্রাকৃতিক উপাদান।

গরমকালে আম খান না, এমন বাঙালি পাওয়া কষ্টকর। হয়তো যার মুখে পাকা আম মিষ্টি লাগে, সে লবণ-তেল মেখে কাঁচা আম খেতে ভালোবাসে। কেউ হয়তো ডালে আম ভালোবাসে, কেউ বা ভালোবাসে আমের শরবত। কিন্তু এই সব রকমের মানুষই যে কথায় সহমত হবেন, তা হলো আমের আঁটি কোনো কাজেই লাগে না। তা দিয়ে বাঁশি বানানো গেলেও যেতে পারে, তবে কাজের কাজ হয় না কিছুই!

আয়ুর্বেদ কিন্তু বলছে অন্য কথা। সেই শাস্ত্র মতে, অতি সাধারণ দেখতে শুষ্ক আমের আঁটির গুণ এমনই যে তা দিয়ে সারানো সম্ভব জটিল রোগ! কিন্তু শুকনো খটখটে আঁটি খাওয়া যায় কীভাবে? শরীরের কোন রোগেই বা কাজে দেবে? জেনে নেওয়া যাক এবার।

কীভাবে খাওয়া যায় আমের আঁটি?

আমটি পাকা হওয়া জরুরি। তা থেকে আমের বীজ অর্থাৎ আঁটি বের করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। রোদের নাগাল না পাওয়া গেলে শুকানো যায় এয়ারফ্রায়ারেও। তারপর তা মিহি গুঁড়ো করে সংরক্ষণ করুন কাচের শিশিতে। উষ্ণ পানিতে ১ গ্রাম আঁটির গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। অথবা রুটি তৈরির আগে মেখে নেওয়া যায় আটার সঙ্গে। অনেকে আবার সরু ফালি করে, তা রোস্ট করে স্ন্যাকস হিসেবে খান। তবে তা বোধহয় খানিক অসুবিধাজনক। রোস্টের ফলে খাদ্যগুণ নষ্টও হতে পারে।

কীভাবে তা কাজে লাগে স্বাস্থ্য গঠনে?

১. সুগারের রোগীরা পাকা আম এড়িয়ে চলেন। আঁটির গুঁড়ো কিন্তু খেতেই পারেন তারা। আয়ুর্বেদ মতে, এতে ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য হয়। রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। এতে থাকে ম্যাঞ্জিফেরিন, যা মানবশরীরে এক গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভূমিকা পালন করে।

২. আমের আঁটিতেও ভরপুর ভিটামিন সি, ফ্ল্যাভনয়েড, ফেনোলিক অ্যাসিড থাকে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, পরোক্ষভাবে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। ডায়রিয়া-আমাশয়ে দুর্দান্ত কাজ দেয় এই আয়ুর্বেদিক টোটকা। এমনকি কাজ দেয় পেটের অ্যাসিড কমাতেও।

৩. নিয়মিত আমের আঁটির গুঁড়ো খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা মিলতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়তে পারে। তাই যেসব বয়স্ক মানুষ খাদ্যাভ্যাসে নানা বিধিনিষেধ মেনে চলেন, তারাও চাইলে পরিমিতভাবে এই পাউডার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

প্রাথমিকভাবে আমের আঁটির গুঁড়ো তৈরি একটু ঝামেলার মনে হলেও, একবার তা দৈনিক ডায়েটে জুড়ে নেওয়া গেলে, অভ্যাস হতে সময় লাগে না। শরীরও ভালো থাকে ভেতর থেকে।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ