দলের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৯ মে) রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় শৃঙ্খলা ফেরানো, দল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এ সভা থেকে।
বিএনপির নেতারা জানান, সাংগঠনিক নির্দেশনার পাশাপাশি বিএনপি সরকারের নেওয়া জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরতে নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
জানা গেছে, সভায় বিএনপির জেলা ও মহানগর নেতাদের পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরাও উপস্থিত থাকবেন। তারা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের নেওয়া জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ তৃণমূল নেতাদের সামনে তুলে ধরবেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, দুপুর ১২টায় দলীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিএনপির নেতারা বলছেন, আজকের বৈঠকের আনুষ্ঠানিক কোনো অ্যাজেন্ডা নেই। তবে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফেরানো, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং দল ও অঙ্গসংগঠনগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ দেড় যুগ পর তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে সরাসরি বসতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দিক নির্দেশনা দেবেন বলেও মনে করছেন নেতারা।
ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের একাধিক সূত্র জানায়, বিএনপির ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে ১০টির কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটভিত্তিক প্রক্রিয়া চালুর দাবি তৃণমূল নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলতে পারেন।
এ বিষয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সাংগঠনিক তৎপরতার অংশ হিসেবে দিনব্যাপী সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সারা দেশের জেলা পর্যায়ের নেতারা সাংগঠনিক বিষয় ও সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরবেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দুই-তিন মাসে যেসব কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং যেগুলো বাস্তবায়নের পথে রয়েছে, সেসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিশ্লেষণধর্মী উপস্থাপনা করবেন।