শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৮ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সপ্তাহে কত ঘণ্টার বেশি কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ? জেনে নিন

আজকের দ্রুতগতির এবং ব্যস্ত জীবনযাত্রায় আমরা প্রায় সবাই ডেডলাইন, অফিসের চাপ, টার্গেট ও মিটিংয়ের মধ্যে এক ধরনের নিরন্তর দৌড়ে আছি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজের চাপ এতটাই বেশি যে ২৪ ঘণ্টাও অনেক সময় যথেষ্ট মনে হয় না।

অনেকেই বিশ্বাস করেন, যত বেশি কাজ করা যায় তত বেশি সফল হওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি কি এতটা সরল? এই অতিরিক্ত ব্যস্ততা আমাদের শরীর ও বিশেষ করে মস্তিষ্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা কি আমরা বুঝতে পারছি?

advertisement

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় কাজ করলে শুধু ক্লান্তিই বাড়ে না, এটি মানসিক স্বাস্থ্য, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আদর্শ কর্মঘণ্টা কত?

advertisement

বিশ্বব্যাপী সাধারণভাবে দিনে ৮ ঘণ্টা কাজকে আদর্শ ধরা হয়। এটি ‘৮ ঘণ্টা কাজ, ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম, ৮ ঘণ্টা ঘুম’—এই ভারসাম্যের ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা শরীর ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

গবেষণা অনুযায়ী, ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে উৎপাদনশীলতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে, কারণ মস্তিষ্কের একাগ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে একইভাবে বজায় রাখা সম্ভব হয় না।

advertisement

অতিরিক্ত কাজের প্রভাব

দৈনিক কাজের সময় ৮ ঘণ্টার বেশি হলে এবং সপ্তাহে প্রায় ৫০–৫৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে শরীর ও মনের ওপর নানা ক্ষতিকর প্রভাব দেখা দিতে পারে।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যায়:

দীর্ঘ সময় কাজ করলে সিদ্ধান্ত নেওয়া, মনোযোগ ধরে রাখা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা কমে।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়ে:

অতিরিক্ত কাজ স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে উদ্বেগ, ক্লান্তি ও হতাশার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়:

প্রচণ্ড কাজের চাপ ও দীর্ঘ কর্মঘণ্টা রক্তচাপ বাড়িয়ে হৃদযন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে, ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়:

অতিরিক্ত চাপের কারণে শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারে না, ফলে অনিদ্রা ও ঘুমের মান কমে যায়।

সাপ্তাহিক আদর্শ কাজের সময়

বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে প্রায় ৪০ ঘণ্টা কাজ করা সবচেয়ে উপযুক্ত। পাশাপাশি প্রতিটি কাজের সেশনের মাঝে ছোট বিরতি নেওয়া মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

  • সর্বশেষ