শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৫৯ সকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গরমে ফলের সঙ্গে বিট লবণ খাচ্ছেন? জেনে নিন উপকারিতা

গরমে ফলের সঙ্গে বিট লবণ মিশিয়ে খাওয়া যেমন স্বাদের তৃপ্তি দেয়, ঠিক তেমনি এর কিছু বৈজ্ঞানিক উপকারিতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে। পরিমিত মাত্রায় বিট লবণ হজমে সাহায্য করলেও অতিরিক্ত সেবন শরীরের জন্য আপনার বিপদের কারণ হতে পারে। বিট লবণ স্বাদ বাড়ায়, হজমে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু অতিরিক্ত খেলে ক্ষতি। তাই ফলের সঙ্গে এটি উপভোগ করুন। মনে রাখবেন— এক চিমটিতে উপকার, আরেক চিমটিতে বিপদ।

তরমুজ, পেঁপে কিংবা আপেলের টুকরোর ওপর এক চিমটি বিট লবণ গরমের দিনে এই অভ্যাস অনেকের কাছে আলাদা আনন্দের। কিন্তু এই স্বাদ আপনার শরীরের স্বাস্থ্য উপকার কি লুকিয়ে আছে, নাকি এর অজান্তেই বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি?

advertisement

চলুন জেনে নেওয়া যাক, বিট লবণ স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী—

প্রথমেই জানা যাক, বিট লবণ কী এবং কেন এত জনপ্রিয়? বিট লবণ মূলত এক ধরনের প্রক্রিয়াজাত খনিজ লবণ, যা ভেষজ ও চারকোলের সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এর হালকা সালফারের গন্ধ আর টক-নোনতা স্বাদই একে আলাদা করে তোলে। ফলে একটু লবণ দিলে অনেক সময় বেশি ফল খাওয়া হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ফলের সঙ্গে বিট লবণ মেশালে ফলের কিছু পুষ্টি উপাদানের শোষণও বাড়তে পারে এবং কাটা ফলের রঙ দ্রুত নষ্ট হওয়া কিছুটা কমে।

advertisement

আর রান্নায় এটি শুধু স্বাদের জন্য নয়, বরং হজমের সহায়ক হিসেবেও বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ফল, লেবুর শরবত কিংবা পানিজিরায় এটি বহুল প্রচলিত। তবে সঠিক পরিমাণে এর ব্যবহার করলে কিছু বাস্তব উপকার মিলবে। হজমে আনবে  গতি। পিত্তরস নিঃসরণ বাড়িয়ে খাবার ভাঙতে সাহায্য করবে বিট লবণ। এ ছাড়া ভারি খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তি কমাতেও সাহায্য করে থাকে বিট লবণ। আর গরমে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে যে লবণ বেরিয়ে যায়, সেই ঘাটতি পূরণে সহায়ক হতে পারে।

তবে সাবধান, অতিরিক্ত খেলেই সমস্যা। বিট লবণ একটু স্বাস্থ্যকর বলে, ইচ্ছামতো মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়। দিনে ২ থেকে ৩ গ্রামের বেশি হলে ঝুঁকি বাড়ে। সেই সঙ্গে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। পেটে অস্বস্তি কিংবা জ্বালা বাড়তে পারে। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বিট লবণ। আর কিডনির ওপর চাপ পড়ে যায়। এতে কিডনির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দীর্ঘদিন বেশি করে খেলে দাঁতের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

advertisement

জেনে নিন যেভাবে খেলে সবচেয়ে নিরাপদ হয়? সহজ নিয়ম হচ্ছে— এক চিমটিই বিট লবণই যথেষ্ট।

প্রতিদিন নয়, গরমের দিনে প্রয়োজনমতো খাওয়া উচিত। অন্য লবণ-যুক্ত খাবারের সঙ্গে একসঙ্গে বেশি না খাওয়াই ভালো।

অনেকে বিট লবণকে ডিটক্স ম্যাজিক হিসেবে দেখান। বাস্তবে শরীরের নিজস্ব ডিটক্স সিস্টেম (লিভার, কিডনি) রয়েছে। বাস্তব হলো— এটি কোনো জাদুকরি উপাদান নয়। উপকার পেতে হলে পরিমিত ব্যবহারই আসল কথা। তাই ফলের সঙ্গে এটি উপভোগ করুন। তবে মাপজোক রেখে। কারণ এক চিমটিতে উপকার, আরেক চিমটিতে সমস্যা।

  • সর্বশেষ