শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৮:১৮ সকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পানিতে ডুবে গেলে যেভাবে উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে

গরম পড়লেই অনেকেই স্বস্তির খোঁজে পানিভর্তি পুকুর, নদী, লেক বা সমুদ্রে নামেন। মুহূর্তের মধ্যে ঠান্ডা পানিতে আরাম মিললেও, এসব জায়গা কখনও কখনও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

আমরা অনেকেই মনে করি, সাঁতার জানলেই নিরাপদ—কিন্তু বাস্তবে ডুবে যাওয়ার ঘটনা খুব দ্রুত ঘটে এবং অনেক সময় তা চোখেও পড়ে না। তাই সচেতন থাকা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি।

advertisement

খোলা পানিতে নামার আগে কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার। ঠান্ডা পানি ও স্রোত অনেক সময় অভিজ্ঞ সাঁতারুকেও বিপদে ফেলতে পারে, তাই যেখানে ‘নিরাপদ নয়’ বলা আছে, সেখানে নামা উচিত নয়।

গরম আবহাওয়াতেও পানির তাপমাত্রা কম থাকতে পারে, যা হাইপোথার্মিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

advertisement

সবসময় পাড়ের কাছাকাছি থাকা ভালো, যেন প্রয়োজনে দ্রুত উঠে আসা যায়।

কখনো একা সাঁতার কাটা ঠিক নয়, আর শিশুদের ক্ষেত্রে অবশ্যই নজরদারি রাখতে হবে। লাইফগার্ড থাকা জায়গায় নামা সবচেয়ে নিরাপদ।

advertisement

যদি কারও ডুবে যাওয়ার ঘটনা চোখে পড়ে, তাহলে দ্রুত কিন্তু সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমে তাকে পানি থেকে তুলে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে কি না তা পরীক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে অন্য কাউকে জরুরি সাহায্যের জন্য ফোন করতে বলা উচিত। এরপর পাঁচবার রেসকিউ ব্রিদ দিতে হবে—মুখে মুখ লাগিয়ে বাতাস দিতে হবে এবং নাক চেপে ধরতে হবে। সিপিআরও খুব গুরুত্বপূর্ণ—বুকের মাঝখানে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় দুইবার করে জোরে চাপ দিতে হবে।

যদি ব্যক্তি সাড়া দেয়, শ্বাস নিতে শুরু করে বা চোখ খোলে, তাহলে তাকে গরম রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। আর যদি সাড়া না মেলে, তাহলে সাহায্য আসা পর্যন্ত শ্বাস দেওয়া ও সিপিআর চালিয়ে যেতে হবে।

পানি যেমন প্রশান্তি দেয়, তেমনি বিপদের কারণও হতে পারে। তাই আনন্দের মুহূর্ত যেন দুর্ঘটনায় না বদলে যায়, সেজন্য প্রয়োজন সতর্কতা ও প্রস্তুতি। মনে রাখতে হবে, সামান্য সচেতনতা ও সঠিক সময়ে নেওয়া পদক্ষেপ একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

সূত্র: ব্রিটিশ রেডক্রস

  • সর্বশেষ