শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২১ রাত
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পিনাট বাটার: কেন একে পুষ্টির ‘সিক্রেট পাওয়ারহাউজ’ বলা হয়?

বর্তমানে স্বাস্থ্যসচেতন অনেক মানুষই তাদের খাদ্যতালিকায় চিনাবাদাম দিয়ে তৈরি পিনাট বাটার যুক্ত করছেন। দেখতে সাধারণ মাখনের মতো হলেও স্বাদ ও পুষ্টিগুণের দিক থেকে এটি একেবারেই আলাদা।

পুষ্টিমান বিবেচনায় পিনাট বাটার সাধারণ মাখনের তুলনায় অনেক বেশি উপকারী। তাই হৃদরোগীদের যেখানে মাখন খেতে নিষেধ করা হয়, সেখানে চিকিৎসকেরা পিনাট বাটার গ্রহণের পরামর্শ দেন।

advertisement

এর কারণ হলো চিনাবাদামে থাকা উপকারী উপাদান রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা এলডিএল কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদ্‌রোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।

তবে একটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে—পিনাট বাটারে যেন অতিরিক্ত চিনি ও লবণ না থাকে। এসব উপাদান থাকলে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে। এবার জেনে নেওয়া যাক পিনাট বাটারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগুণ।

advertisement

পেশি ও স্নায়ুর সুস্থতা

পিনাট বাটারে প্রচুর ভিটামিন ই রয়েছে, যা পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই ভিটামিনের ঘাটতিতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

advertisement

চোখের যত্নে সহায়ক

ভিটামিন ই চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি চোখে অস্বাভাবিক রক্তনালি বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে এবং ঝাপসা দেখার সমস্যা কমাতে ভূমিকা রাখে।

হার্ট সুরক্ষায় কার্যকর

পিনাট বাটারে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও রেজভেরাট্রল নামের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হৃদ্‌যন্ত্রকে সুরক্ষা দেয় এবং শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী

কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে পিনাট বাটার রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে দেয় না। ফলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ খাদ্য।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

প্রোটিন, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর চর্বিতে সমৃদ্ধ পিনাট বাটার দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়। এতে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

সবশেষে বলা যায়, বাজার থেকে পিনাট বাটার কেনার সময় উপাদান তালিকা ভালোভাবে দেখে নেওয়া জরুরি। চিনি ও লবণবিহীন প্রাকৃতিক পিনাট বাটারই হতে পারে সুস্থ থাকার একটি কার্যকর উপায়।

সূত্র- সামা

  • সর্বশেষ