শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৫৮ সকাল
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শীতকালে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা করবেন

গরমকালে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় অনেক সময় খাবারে অরুচি তৈরি হয়। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া-মসলাদার খাবারে অ্যাসিড রিফ্লাক্স, হজমের সমস্যা ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। এমন খাবার শরীরকে গরম করে তোলার সঙ্গে অতিরিক্ত ঘামে অস্বস্তির শুরু হয়। তবে শীতকাল ঠিক যেন তার উলটো। হরেক পদের শাকসবজি, নতুন ধানের ঘ্রাণে-স্বাদের ভাপা, পুলি, নকশী পিঠার দশ পদ, শীতের ঘোরাঘুরিতে তেলে ভাজা আলুর চপ-বেগুনির খাবারে সন্ধ্যার রাস্তার পাশে উপচেপড়া ভিড় জমে। শীতে এত খাবারের ভিড়ে শরীরের ওজন ঠিক রাখাটাই দায়।  মেদ চর্বি আর শরীরের ওজন ঠিক রাখতে শীতকালে খাবারের মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন যেভাবে-

খাবারে প্রোটিনের মাত্রা বাড়ান। ডিম, মুরগির মাংস, মাছ, ডাল, ছোলা, সয়াবিন, পনির, দই, বাদামে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে যারা মাছ-মাংস কম খান তাদের জন্য মসুর ডাল, পনির, ছোলা এবং শাকসবজি যেমন পালং শাক ও ব্রকলি আমিষের ভালো উৎস হতে পারে। প্রোটিন হজম হতে বেশি সময় নেয়। তাই পেট অনেকক্ষণ ভর্তি থাকে। তাই ভাজাপোড়া, তেল মসলাদার খাবার দেখলেও খেতে ইচ্ছে করবে না।

শীতকালে ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ায় শরীর সহজেই ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে। অনেক সময় পিপাসার সঙ্গে ক্ষুধামন্দা অনুভূব হয়। পানি কম পানে খাওয়ার ইচ্ছাও বেড়ে যায়। শীতে খাবারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে বেশি করে পানি পান করুন। এছাড়াও শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক আর্দ্র রাখতে পানির কোনো বিকল্প নেই। 

শীতের দিনে দুটি খাবারের মাঝে খুব বেশি ব্যবধান রাখা চলবে না। সকালের নাস্তা না খেয়ে সোজা দুপুরের খাবার খেতে বসলেন, এমন ভুল করবেন না। খালি পেটে দীর্ঘক্ষণ থাকলে যখনই খেতে বসবেন, তখন অজান্তেই বেশি খাওয়া হয়ে যাবে। তাই সময়ের খাবার সময়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

শীতের দিনে রাত জেগে পার্টি, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা একটু বেশি হয়। ফলে ঘুম হয় না ঠিক মতো। ঘুম কম হলে কিন্তু শরীরে ‘হাঙ্গার হরমোন’ বা ঘ্রেলিনের (পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত হয় এবং মস্তিষ্ককে ক্ষুধা পাওয়ার সংকেত পাঠায়) ক্ষরণ বেড়ে যায়। তাই বেশি করে ক্ষুধা পায়। ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে প্রতি দিন নিয়ম করে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর বিকল্প নেই। 

  • সর্বশেষ