শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:০০ রাত
আপডেট : ০৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শীতকালে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ইসবগুলের ভুসির স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা কম-বেশি সবার জানা। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ করে ইসবগুল পানিতে মিশিয়ে খেলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, শীতকালে ইসবগুলের ভুসি খেলে শরীরে কী ঘটে? এটি কি শীতের জন্য উপকারি? চলুন বিস্তারিত জেনে নিই- 

শীতে পানির পিপাসা কম লাগে। তাই শীতের শুরু ও শেষের দিকে বেশি ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়। বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। আর এই সমস্যা এড়াতে দারুণ কার্যকরী ইসবগুলের ভুসি। শীতে এটি খেলে কী কী উপকার হয়? 

advertisement

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: 
সকালে খালি পেটে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পানিতে ভিজিয়ে ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন। চাইলে পানিতে সামান্য চিনি বা মিসরি মেশাতে পারেন। দুধের সাথেও এটি খেতে পারেন। শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ে, সেই সমস্যা কমাতে ইসবগুল সাহায্য করে। পাইলস রোগীদের সারাবছর ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। 

ডায়রিয়া প্রতিরোধ: 
শীতে অনেকেই ডায়রিয়ায় ভুগেন। এই সমস্যা থেকে বাঁচার দারুণ টনিক হলো ইসবগুলের ভুসি ও দই। এ দুটো উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে ডায়রিয়া থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই।

advertisement

ওজন কমায়: 
ইসবগুলের ভুসিতে আছে ফাইবার, ফলে হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয়। ফলে ক্ষুধা লাগে অনেক কম। তাই ইসবগুল খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: 
ইসবগুলের ভুসিতে আছে জিলাটিন নামের একটি উপাদান; যা দেহে গ্লুকোজের শোষণ ও ভাঙার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে, রক্তে সহজে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে না। অর্থাৎ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি সাহায্য করে। 

advertisement

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: 
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও ইসবগুলের শরবত দারুণ পথ্য হিসেবে বিবেচিত।

রক্তে কোলেস্টেরল কমায়: 
ইসবগুলের ভুসি খেলে আমাদের অন্ত্রে এক ধরনের স্তর তৈরি হয়। যা কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয়। ফলে, আমাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তাই, হৃদরোগীদের জন্য এটি দারুণ একটি খাদ্য। সূত্র: ঢাকা মেইল

  • সর্বশেষ