শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:১০ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাবা-মায়ের যেসব আচরণে সন্তান একগুঁয়ে ও জেদি হয়ে ওঠে

বাবা-মা সবসময় সন্তানের ভালো চান। সন্তানকে জীবনদর্শন, ভালো-মন্দ শেখানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করেন। নিজেদেরও যথেষ্ট সংযত রাখার চেষ্টা করেন। তারপরেও বাবা-মা সন্তানের সামনে এমন কিছু আচরণ করে ফেলেন, যা সন্তানের মনের ওপর চাপ ফেলে। অর্থাৎ বাবা-মায়ের কিছু অভ্যাস শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর এ কারণে অনেকের সন্তান একগুঁয়ে ও জেদি হয়। তারা অভিভাবকের কথা শোনে না, বরং বাবা-মাকে ভোগান্তিতে ফেলে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩ থেকে ৭ বছরের বাচ্চাদের মধ্যে জেদ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এই সময়ে যদি সঠিকভাবে শিশুদের লালন পালন করা না যায়, তাহলে অনেক সমস্যার সন্মুখীন হতে হয়। দেখা যায়, সন্তান এতটাই জেদি হয় যে, কোনোভাবেই বাবা-মায়ের কথা শুনতে চায় না। কিছু না পেলেই হাত-পা ছুড়ে কান্নাকাটি করে। তাই সন্তানের সামনে বাবা মাকে এমন কোনো আচরণ করা যাবে না, যা সন্তানের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। 

advertisement

অকারণে রাগারাগি 
কোনো কারণ ছাড়াই রেগে যাওয়া সন্তানের জন্য খুব ক্ষতিকর হতে পারে। এতে সন্তানের তার বাবা-মায়ের প্রতি টান কমতে শুরু করে। সন্তানের ওপর ঘন ঘন রাগ দেখালে কিংবা নিজেদের মধ্যে অকারণে রাগারাগি হলে সন্তান তার চিন্তাভাবনা আপনার কাছে প্রকাশ করতে পারে না। তাই অযথা রাগারাগি করবেন না। 

প্রতিটি ইচ্ছা পূরণ 

advertisement

অনেকে করেন, সন্তানের সব ইচ্ছা পূরণ করলেই ভালো বাবা-মা হওয়া যায়। এটা ভুল। সব ইচ্ছা সহজেই পূরণ হয়ে গেলে তারা ভাবে যা চাইবে এবং যখনই চাইবে তখনই পাবে। এতে ধীরে ধীরে সে একগুঁয়ে হয়ে ওঠে। এই ধরনের শিশুরা অন্যদের সমস্যা বুঝতে পারে না এবং তাদের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য যেকোনো কিছু করতে পারে।

সবার সামনে সমালোচনা করা 
প্রত্যেক শিশুরই আত্মসম্মান জ্ঞান থাকে। তাই সবার সামনে সন্তানের নিন্দা করা, অন্যের সঙ্গে তুলনা করার মত কাজ করা যাবে না। যদি করেন তাহলে সন্তানের মনে প্রভাব পড়বে এবং সে ধীরে ধীরে জেদি হয়ে ওঠবে। 

advertisement

ভুল উপেক্ষা করা
যখন শিশুরা ভুল করে এবং বাবা-মা তা উপেক্ষা করে, তখন শিশুটি মনে করে যে তাদের ভুলের কোনো পরিণতি বা শাস্তি হবে না। এটি শিশুর আচরণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বাবা-মায়ের উচিত সন্তানের ভুল সংশোধন করার চেষ্টা করা। 

মারধর করা 
অনেক সময় সন্তান ভুল করলে বাবা-মা মারধর করেন।  এটি শিশুর আত্মবিশ্বাসের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। মারধরের কারণে শিশুরা একগুঁয়ে হয়ে উঠতে শুরু করে। তাই সন্তান ভুল করলে শান্ত ও সচেতন থাকুন। শিশু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুদের শেখানো উচিত কীভাবে সৌজন্য প্রকাশ করতে হয়। তাকে কেউ কিছু দিলে ধন্যবাদ জানাতে শেখাতে হবে। এতে আপনার সন্তান অনেকটাই শোধরাবে। 

সূত্র: বোল্ডস্কাই

  • সর্বশেষ