শিরোনাম
◈ আজ বিদেশি কূটনীতিকরা ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শনে যাবেন ◈ চলমান সংকটে রাজশাহীতে কৃষিখাতে দিনে ২০ কোটি টাকার ক্ষতি ◈ কারফিউ শিথিল সময়ে চলবে দূরপাল্লার বাস ◈ প্রাণহানি ও ধ্বংসাত্মক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব ◈ ড. ইউনূস রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ করেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সহিংসতা বন্ধে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছেন ড. ইউনূস ◈ নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ১৩৬ কয়েদির আত্মসমর্পণ ◈ কতজন শিক্ষার্থী মারা গেছেন, জানতে সময় লাগবে: শিক্ষামন্ত্রী ◈ বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য ভিসা বন্ধ করল আরব আমিরাত ◈ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সেনাবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২৩, ০১:৩০ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৩, ০১:৩০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সোমালিয়ায় আল-শাবাবের হামলায় উগান্ডার ৫৪ সেনা নিহত

সাজ্জাদুল ইসলাম: সোমালিয়ায় জঙ্গী হামলায় উগান্ডার ৫৪ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতরা সেখানে শান্তিরক্ষী হিসেবে কাজ করছিলেন। গত সপ্তাহে দেশটির একটি সামরিক ঘাঁটিতে জঙ্গি গোষ্ঠী আল শাবাবের হামলায় প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। উগান্ডার প্রেসিডেন্টের বরাত দিয়ে রোববার (৪ জুন) রয়টার্ম এ খবর জানিয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা

রয়টার্স জানায়,আফ্রিকা শৃঙ্গের দেশ সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশু থেকে ১৩০ কিলোমিটার (৮০ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত বুলামারের ওই সামরিক ঘাঁটিতে গত শুক্রবার ভোরে আল শাবাব যোদ্ধারা হামলা চালায়।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইওওয়েরি মুসেভেনি শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, সোমালিয়ায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে আল শাবাবের হামলায় তাদের দেশে ৫৪ জন শান্তিরক্ষী সেনা নিহত হয়েছেন।তিনি বলেন, ওই হামলার পর আল-শাবাব ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ দখল করে। পরে উগান্ডা পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (ইউপিডিএফ) আল-শাবাবকে সেখান থেকে হটিয়ে দিয়ে ঘাঁটি পুণর্দখল করে।  

মুসেভেনি গত সপ্তাহে বলেছিলেন, উগান্ডার সৈন্যদের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু হামলার বিষয়ে বিশদ কোনও বিবরণ সেসময় দেননি তিনি।

এদিকে জঙ্গি গোষ্ঠী আল শাবাব দাবি করেছে যে, তারা ওই সামরিক ঘাঁটিতে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়েছে এবং ১৩৭ জন সৈন্যকে হত্যা করেছে। সন্ত্রাসী এই গোষ্ঠীটি সোমালিয়ার পশ্চিমা-সমর্থিত সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ইসলামি শরিয়া ভিত্তিক নিজস্ব শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০৬ সাল থেকে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

গত আগষ্টের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মাহমুদ জয়ী হওয়ার পর সরকার ব্যাপক আক্রমণ চালায়। এতে  সোমালিল্যান্ডের বিরাট এলাকার ওপর আল-শাবাবের নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটে। তারপরও সরকারের বাণিজ্যিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরণের হামলা চালানোর ক্ষমতা গ্রুপটির রয়েছে। 

মোগাদিসু থেকে আল-শাবাবকে হটিয়ে দিতে সেখানে সেনা পাঠানোর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আল-শাবাব প্রতিবেশি কেনিয়াতেও মাঝেমধ্যে হামলা করে থাকে।

আল-শাবাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সোমালিয়ার ফেডারেল সরকারকে সহায়তা করতে দেশটিতে আফ্রিাকার বিভিন্ন দেশের  ২২ হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। সম্পাদনা: রাশিদ

এসআই/আরআর/এএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়