শিরোনাম
◈ আর্মব্যান্ড ছাড়াই হামজা নেতা: থমাস ডুলি ◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি ◈ দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি ◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম ◈ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার জন্য প্রস্তুত: পাকিস্তানকে রাজনাথ সিংয়ের কড়া বার্তা ◈ এবার লাইভে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিলেন সালমান মুক্তাদির! (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:২৩ সকাল
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঘণ্টায় ৩২০ কিমি গতিতে সমুদ্রের নিচে ছুটে চলে জাপানের 'হায়াবুসা'

অত্যাধুনিক ও দ্রুতগতির বুলেট ট্রেনের জন্য বিশ্বজুড়ে আলাদা পরিচিতি রয়েছে জাপানের। তবে দেশটির ‘হায়াবুসা শিনকানসেন’ নামের বিশেষ এক বুলেট ট্রেনের অভিজ্ঞতা সাধারণ যাত্রার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ই৫ সিরিজের এই ট্রেনটি ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার গতিতে সরাসরি সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে সংযোগ তৈরি করেছে হনশু ও হোক্কাইদো দ্বীপের মধ্যে।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই ট্রেনটি বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ সমুদ্র তলদেশের রেল সুড়ঙ্গ সেইকান টানেল অতিক্রম করে। মোট ৫৩.৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেলের ২৩.৩ কিলোমিটার অংশ রয়েছে সরাসরি সাগরের তলদেশে। জাপানের প্রতিকূল আবহাওয়া ও ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্মিত টানেলটি ভূ-পৃষ্ঠ বা সাগরের প্রায় ৮০০ ফুট গভীরে অবস্থিত এবং এটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। সম্প্রতি ভারতের এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর টোকিও থেকে হোক্কাইদো যাওয়ার পথে এই ট্রেনে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন।

প্রযুক্তির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, আমি হায়াবুসা বুলেট ট্রেনে টোকিও থেকে হোক্কাইদো যাচ্ছি, যা সাগরের ভেতরের টানেলে ৩২০ কিমি গতিতে চলে। এটি সমুদ্রের ৮০০ ফুট গভীরে নির্মিত ৫৪ কিলোমিটারের একটি টানেল। কী দুর্দান্ত প্রকৌশল প্রযুক্তি! ৯০০ কিলোমিটারের এই দীর্ঘ পথ আমরা অতিক্রম করছি মাত্র ৪ ঘণ্টায়।

ইস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, গতি, নিরাপত্তা ও সর্বাধুনিক আরামদায়ক সুবিধার কথা মাথায় রেখে নির্মিত এই ই৫ সিরিজ ট্রেনগুলো ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিত ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করছে।

দীর্ঘ এই ভ্রমণে যাত্রীদের আরাম নিশ্চিত করতে ট্রেনের সিটগুলোতে রয়েছে পর্যাপ্ত লেগরুম, হেলান দেওয়ার সুবিধা, সামঞ্জস্যযোগ্য মাথার কুশন, চার্জিং পয়েন্ট ও ট্রে টেবিল। এ ছাড়া বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যাত্রীদের জন্য রয়েছে বড় আকারের আধুনিক ওয়াশরুম। নারীদের জন্য সুনির্দিষ্ট ওয়াশরুম ও পাউডার রুমের পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে কামরাগুলোর ভেতর ও প্রবেশমুখে বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা।

সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ