শিরোনাম
◈ জাতিসংঘে একই পরিবারের তিন সদস্যের ভাষণ, বিরল ইতিহাস গড়লেন তারেক রহমান ◈ শেষ মুহূর্তে গ্যাকপোর গোলে জার্মানিকে রুখে দি‌লো নেদারল্যান্ডস ◈ উয়েফা নেশনস লিগে নরওয়ের রোমাঞ্চকর জয়, হালা‌ন্ডের জোড়া গোল ◈ মোবাইল আসক্তিতে বদলে যাচ্ছে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ও বেড়ে ওঠার পরিবেশ ◈ ডিসেম্বরের মধ্যে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন না হলে বাতিল হবে ১৪ হাজার প্রবাসীর আবেদন ◈ জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: যুদ্ধ নয়, সংঘাত সমাধানে চাই আলোচনা ও কূটনীতি ◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বৈঠক, গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু ◈ প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা ◈ বন্ধের পথে ৪ এনবিএফআই, আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত ◈ টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১১ দুপুর
আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্বের সেরা শহরের তালিকায় শীর্ষে নিউইয়র্ক, দ্বিতীয় লন্ডন

আলো, গতি আর সম্ভাবনার শহরগুলোর দৌড়ে আবারও সবার সামনে নিউইয়র্ক। বিশ্বের এক হাজার শহরকে পেছনে ফেলে সেরা শহরের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এই মহানগর। এর পরেই রয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডন ও ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের ২০২৬ গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে উঠে এসেছে বিশ্বের সেরা শহরগুলোর এই চিত্র।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শহরগুলোর অবস্থান নির্ধারণে ৫টি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে—শাসনব্যবস্থা, অর্থনীতি, মানবসম্পদ, পরিবেশ এবং জীবনযাত্রার মান।

advertisement

সূচকের শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় নিউইয়র্ক, লন্ডন ও প্যারিসের পর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল ও সান ফ্রান্সিসকো। ষষ্ঠ অবস্থানে আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন সপ্তম, সান হোসে অষ্টম, জাপানের টোকিও নবম এবং সুইজারল্যান্ডের জুরিখ দশম স্থানে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শহরগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ ও শিক্ষিত মানুষকে আকৃষ্ট করার সক্ষমতা। এতে এসব শহরের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রায় বৈচিত্র্য বাড়ছে।

advertisement

মানবসম্পদের দিক থেকে লন্ডন সূচকে সবচেয়ে এগিয়ে। শহরটির প্রায় ৪০ শতাংশ বাসিন্দা বিদেশে জন্মগ্রহণকারী। অন্যদিকে বোস্টনে বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় উপস্থিতি শহরটির মানবসম্পদকে শক্তিশালী করেছে।

সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার মানের দিক থেকেও এগিয়ে রয়েছে প্যারিস। শহরটিতে প্রায় ১৩০টি জাদুঘর রয়েছে। সিয়াটলও শিল্প ও সংস্কৃতির পাশাপাশি জীবনযাত্রার মানের জন্য ভালো অবস্থানে রয়েছে।

advertisement

এদিকে পরিবেশের ক্ষেত্রেও শীর্ষ শহরগুলো বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। লন্ডনের কনজেশন চার্জ ও আল্ট্রা-লো এমিশন জোন যানজট ও দূষণ কমাতে ভূমিকা রাখছে। সান ফ্রান্সিসকোর উন্নত গণপরিবহন ব্যবস্থা ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করছে। ডাবলিনও ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু-নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

তবে প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও শহরগুলোর অবস্থানকে প্রভাবিত করেছে। সান হোসে সিলিকন ভ্যালির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতির কারণে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে সূচকে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। সান ফ্রান্সিসকোতে চালকবিহীন গাড়ির ব্যবহারও এখন নগরজীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

প্রতিবেদনে এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনকেও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া শহর হিসেবে ‘সিটিজ টু ওয়াচ’ তালিকায় রাখা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

  • সর্বশেষ