শিরোনাম
◈ বাংলাদেশসহ ২১১ সদস্যকে ১২৩ কোটি টাকা করে দেওয়ার দাবিতে ইনফান্তিনোকে উয়েফা-কনকাকাফের চিঠি ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ, বিশ্ব পারমাণবিক শক্তির জগতে বাংলাদেশ ◈ জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ শুরু ◈ বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস, ১৭ দিনে পাড়ি ৪০ হাজার ৫৯৩ জনের ◈ টানা ৬ ঘণ্টা শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ রাজধানীর একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার বাসে আগুন (ভিডিও) ◈ শেষ মুহূর্তে বাতিল শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের দিল্লি বৈঠক, নেপথ্যে কী? ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৩ প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিল বিএনপি, মনোনয়ন ঘোষণা পরে ◈ সুদের হার বাড়িয়ে কি হরমুজ সংকট মেটাতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র? ◈ মিরপুরে ‘চাঁদার জাঁতাকলে’ ব্যবসায়ীরা, এক গ্রুপের চাঁদা মিটলেই হাজির আরেক গ্রুপ

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:১৫ সকাল
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:২৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জ্বালানি সংকটেও মোটরসাইকেল-রিকশায় ভর্তুকি দিচ্ছে পাকিস্তান

আমদানি-নির্ভর পাকিস্তানের জ্বালানিতে দ্বিমুখী সংকট তৈরি হয়েছে। একদিকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বৈশ্বিক সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় দেশে মারাত্মক গ্যাস ও বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে পেট্রল ও ডিজেলের মূল্য আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।

এই কঠিন জ্বালানি সংকট মোকাবেলা ও সরকারি ব্যয় কমাতে পাকিস্তান সরকার বেশ কিছু কৃচ্ছ্রসাধন নীতি ও কড়াকড়ি আরোপ করেছে। তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্যেও মোটরসাইকেল, রিকশাসহ ছোট যানবাহন ব্যবহারকারীদের স্বস্তি দিচ্ছে সরকার।

advertisement

২০০৬ সালের ১ জানুয়ারির পর নিবন্ধিত মোটরসাইকেল, রিকশা ও কিংকি যানবাহনকে সরকারের নতুন জ্বালানি ত্রাণ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। জ্বালানির ঊর্ধ্বগতিতেও এসব যানবাহনের ব্যবহারকারীদের স্বস্তি দিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারির পর নিবন্ধিত সব মোটরসাইকেল, রিকশা ও কিংকি এ কর্মসূচির জন্য নিবন্ধনের সুযোগ পাবে। এর ফলে প্রায় ২০ বছরের পুরোনো এসব যানবাহনের মালিকরাও জ্বালানি ত্রাণ সুবিধা নিতে পারবেন।

advertisement

পাক সংবাদমাধ্যম ডন বলছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনের যানবাহনের ব্যবহারকারীদের স্বস্তি দিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শাহবাজ শরিফ।

কর্মসূচির আওতায় মোটরসাইকেল, রিকশা, কিংকি, তিন চাকার যান এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত গাড়িতে প্রতি লিটার পেট্রলে ১০০ রুপি করে ভর্তুকি দেওয়া হবে।

advertisement

দুই ও তিন চাকার যানবাহনের জন্য মাসে সর্বোচ্চ ২০ লিটার এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত ছোট গাড়ির জন্য ৩০ লিটার পেট্রলে এ সুবিধা মিলবে।

তবে বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী কর্মসূচি চালুর প্রথম দিনেই জটিলতা দেখা দেয়। প্রয়োজনীয় ডিজিটাল ব্যবস্থা না থাকায় অনেক পেট্রল পাম্প নির্ধারিত দামে জ্বালানি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর আগে পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনও ভর্তুকির অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিল।

এদিকে জ্বালানি সংকটের মধ্যে সরকার বৃহস্পতিবার নতুন করে কৃচ্ছ্রসাধন ব্যবস্থা চালু করেছে।

এর আওতায় বাজার রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করা এবং তিন মাসের জন্য সরকারি যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহ ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ