ইরানের সঙ্গে সহযোগিতার কারণে চীনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রে সব বিকল্প বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
রোববার (৩০ আগস্ট) অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, উত্তর ক্যারোলাইনার অ্যাশভিলে জি২০ অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানদের বৈঠকে চীনা সমকক্ষদের সঙ্গে তিনি আলোচনা করবেন। সেখানে বেইজিংকে জানানো হবে, চীনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ‘সব বিকল্পই টেবিলে রয়েছে’।
ইরানের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের উদ্বেগের কারণ। বিশেষ করে ইরানি তেল কেনার ক্ষেত্রে চীন গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা হওয়ায় তেহরানের ওপর মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ কার্যকর করতে বেইজিংয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে ২৪ আগস্ট বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, ইরানের আয়ের উৎসগুলো বন্ধ করতে দেশটির বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করা হবে। একই সঙ্গে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে না চলা দেশগুলোর বিরুদ্ধেও দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।
এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠান বা দেশকে মার্কিন ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও জানান বেসেন্ট। তবে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা দেশগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা বা সংঘাত তৈরি করতে চায় না।
জি২০ বৈঠকে ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক কমাতে অন্যান্য দেশগুলোর ওপরও চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। একই সময়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও ওয়াশিংটনের আলাদা চাপ রয়েছে।
তথ্যসূত্র: তাস, এপি, রয়টার্স