শিরোনাম
◈ নামিবিয়ার কাছে পরাস্ত হওয়ার পর জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়াল দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকা  ◈ সি‌লে‌টের দক্ষিণ সুরমায় পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা আছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ◈ প্রজ্ঞাপনের আগেই জানা গেল সম্ভাব্য পে-স্কেল, কার বেতন কত ◈ জমি, পরকীয়া, মাদক ও ছিনতাই: দুই সপ্তাহে ৯ খুন রংপুরে ◈ হত্যার পর ছাদজুড়ে পানি ঢালল কে? রংপুরের ঘটনায় নতুন মোড় ◈ কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমায়, ডুবছে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু ◈ ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ◈ ইরানের হুমকির পর ঘরবন্দি ট্রাম্পপুত্র ব্যারন, কাটছে অন্তর্মুখী জীবন ◈ কনটেইনার পরিবহন বাড়লেও সেরা ১০০ বন্দরে ৬৮তম চট্টগ্রাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে?

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৮ রাত
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রেম-বিয়ে যেকোনো বিচ্ছেদেই মিলবে ৭ দিনের বেতনসহ ছুটি

প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া কিংবা দাম্পত্য জীবনের বিচ্ছেদ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।ব্যক্তিজীবনের এমন সংকটের প্রভাব অনেক সময় কর্মক্ষেত্রেও পড়ে, কমে যায় মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা। কর্মীদের এমন পরিস্থিতি সামলে ওঠার সুযোগ দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান স্টকগ্রো।

২০২৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি চালু করেছে ‘ব্রেকআপ লিভ’ বা বিচ্ছেদকালীন ছুটি। এই নীতির আওতায় প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া কিংবা বৈবাহিক বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে কর্মীরা একটানা সাত দিনের বেতনসহ ছুটি নিতে পারবেন।

এই ছুটি পাওয়ার জন্য কর্মীদের বিচ্ছেদের কোনো কাগজপত্র বা প্রমাণ জমা দিতে হবে না। কর্মী মানসিকভাবে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন—প্রতিষ্ঠানকে শুধু বিষয়টি জানালেই তিনি ছুটির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

স্টকগ্রোর এমন উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকের মতে, এটি শুধু ছুটির ব্যবস্থা নয়; বরং কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও আবেগীয় প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়ার একটি মানবিক উদ্যোগ।

তাদের মতে, ব্যক্তিগত জীবনের সংকট থেকে সাময়িক বিরতি কর্মীদের মানসিক চাপ কমাতে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা করতে পারে। প্রয়োজনীয় সময় নিয়ে কর্মীরা নতুন উদ্যমে কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের কর্মদক্ষতাও বাড়াতে পারে।

কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও কর্মীদের ব্যক্তিগত ও আবেগীয় সংকট বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালা প্রণয়নে উৎসাহিত করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

 

  • সর্বশেষ