শিরোনাম
◈ নিউইয়র্কে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে প্রবাসীদের কটূক্তি ও হেনস্তার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ◈ দেশের সব ইউনিয়নের হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ সরকারের ◈ জরুরি নির্দেশনা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারীদের জন্য

প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৬, ০৯:২৬ সকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানের ওপর নতুন করে বিমান হামলা পরিচালনা এবং দেশটির অপরিশোধিত তেল বিক্রির ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় দুই শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জানিয়েছে যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পার হওয়ার সময় তিনটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলার সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই নতুন বিমান হামলা চালানো হয়েছে। বিশ্ববাজারে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহের জন্য এই জলপথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত করিডোর হিসেবে বিবেচিত হয়।

বুধবারের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি এক দশমিক ৩৮ ডলার বা এক দশমিক নয় শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে পঁচাত্তর দশমিক চুয়ান্ন ডলারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি এক দশমিক ৩৭ ডলার বা এক দশমিক নয় শতাংশ বেড়ে একাত্তর দশমিক একাশি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবারও ইরানি হামলার পর ওয়াশিংটন তেহরানের তেল বিক্রির সাধারণ লাইসেন্স বাতিল করলে উভয় বেঞ্চমার্কের দাম প্রায় তিন শতাংশ বেড়েছিল।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হতো। বর্তমানে ইরান এই জলপথের ওপর নিজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে এবং ওমান উপকূলের পরিবর্তে তাদের নিজস্ব উপকূলের কাছাকাছি নৌপথ ব্যবহারের জন্য সব জাহাজকে নির্দেশ দিচ্ছে, যদিও আমেরিকা দাবি করছে যে যুদ্ধপূর্ব সময়ের মতো এই নৌপথটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে।

যুদ্ধের শুরু থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের জরুরি মজুত থেকে তেল ব্যবহার করে সরবরাহ ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করে আসছে। আমেরিকার পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্যের বরাতে বাজার সূত্রগুলো জানিয়েছে যে গত সপ্তাহেও আমেরিকার অপরিশোধিত তেলের মজুত হ্রাস পেয়েছে। রয়টার্সের এক জরিপে বিশ্লেষকেরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে গত তিন জুলাই সমাপ্ত সপ্তাহে দেশটির তেলের মজুত প্রায় চব্বিশ লাখ ব্যারেল কমতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

  • সর্বশেষ