শিরোনাম
◈ জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত ◈ যুক্তরাষ্ট্রে খাবার উৎসবে বন্দুক হামলা, নিহত ২, আহত অন্তত ৫ ◈ আশ্রয় চাওয়া বাংলাদেশীদের আফ্রিকায় পাঠিয়ে দিতে চায় ইউরোপীয় পাঁচ দেশ ◈ আগামী আইপিএলে শাহরুখ খা‌নের দল নাইটরাইডা‌র্সে খেলবেন পাকিস্তা‌নের উসমান তা‌রিক ◈ নিট প্রশ্নফাঁসের জেরে পরীক্ষা ব্যবস্থায় আমূল সংস্কারে ভারতের সরকার, গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল মহাকাশ বিজ্ঞানীও নেওয়া হয়েছে ◈ জিম্বাবু‌য়ে‌কে হোয়াইটওয়াশ কর‌লো ভারত ◈ আন্দোলনের সময় মোদিকে লক্ষ্য করে সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট, ব্যবস্থা নিতে মাঠে দিল্লি পুলিশের ◈ আমার চুল টেনে ধরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাথি মারেন, হাত-পা বেঁধে গলা চেপে ধরা হয়েছিল: ঘটনার বর্ণনায় কাঁদলেন অভিনেত্রী স্নিগ্ধা ◈ বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়! শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন একা‌ধিক ক্রিকেটার ◈ মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ, সাবেক রাষ্ট্রপতিদের বিচার করা যায়?

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৫:৫১ বিকাল
আপডেট : ২২ জুলাই, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উড়োজাহাজ আকৃতির দুই গ্রহাণু ছুটে আসছে পৃথিবীর পাশ দিয়ে

উড়োজাহাজ আকৃতির দুটি বড় গ্রহাণু মঙ্গলবার (৯ জুন) পৃথিবীর খুব কাছাকাছি চলে আসছে। মহাকাশবিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে এই গ্রহাণু দুটির গতিপথের ওপর নজর রাখছেন। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কাছাকাছি আসা’ শব্দবন্ধটি শুনতে কিছুটা উদ্বেগজনক মনে হলেও বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করেছেন যে, এই মহাজাগতিক বস্তু দুটি নিয়ে পৃথিবীর ভয়ের কোনও কারণ নেই। দুটি গ্রহাণুই পৃথিবী থেকে লাখ লাখ কিলোমিটার নিরাপদ দূরত্ব দিয়ে পার হয়ে যাবে।

২০২৬ এলডি নামের গ্রহাণুটি আকারে প্রায় ৫২ মিটার (১৭০ ফুট) বড়। মঙ্গলবার এটি পৃথিবী থেকে আনুমানিক ১১ লাখ ৪০ হাজার কিলোমিটার (৭ লাখ ১০ হাজার মাইল) দূর দিয়ে অতিক্রম করবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবে এই দূরত্বকে কাছাকাছি বলা হলেও, এটি মূলত পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের চেয়েও তিন গুণেরও বেশি দূরে। ফলে আমাদের গ্রহের সঙ্গে এর সংঘর্ষের কোনও ঝুঁকি নেই।

দিনের দ্বিতীয় গ্রহাণুটির নাম ২০২৬ কেএম৩। এটি প্রথমটির চেয়ে আকারে কিছুটা ছোট, যার ব্যাস প্রায় ৩৪ মিটার (১১০ ফুট)। এটি পৃথিবী থেকে আরও দূর দিয়ে, প্রায় ২৩ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার (১৪ লাখ ৬০ হাজার মাইল) দূরত্ব বজায় রেখে পার হবে। বিজ্ঞানীরা এর গতিপথ হিসাব করে জানিয়েছেন, এই যাত্রায় পৃথিবীর ওপর এর আঘাত হানার সম্ভাবনা শূন্য শতাংশ।

মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা এই ধরনের বস্তুর কক্ষপথ ভালোভাবে বুঝতে এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য হুমকিগুলো চিহ্নিত করতে ক্রমাগত এগুলোর ওপর নজরদারি চালায়। গ্রহাণুগুলো বিপজ্জনক না হলেও, প্রতিটি পর্যবেক্ষণ বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসের মডেল উন্নত করতে এবং গ্রহ প্রতিরক্ষা কৌশলকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিটার আকারের বস্তুগুলোর ওপর বিজ্ঞানীদের বিশেষ আগ্রহ থাকে; কারণ এগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ভূপৃষ্ঠে আঘাত হানলে আঞ্চলিকভাবে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে।

তবে ৯ জুনের এই গ্রহাণু দুটিকে একেবারেই ক্ষতিকর নয় বলেই গণ্য করা হচ্ছে, কারণ এগুলো নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলছে এবং কোনও সংঘর্ষের ঝুঁকি নেই। বরং এই গ্রহাণুগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য সৌরজগতের এই প্রাচীন অবশিষ্টাংশগুলো নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার একটি দারুণ সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। সূত্র: উইয়ন নিউজ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়