শিরোনাম
◈ ৭১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্প বাদ, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ◈ ৪০০ ছক্কার বিশ্বরেকর্ড, ভারত ধরাছোঁয়ার বাইরে ◈ গার্মেন্টস শ্রমিকদের বর্তমান বেতন কত, ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবির যৌক্তিকতা কতটা, কতটা সক্ষম মালিকপক্ষ? ◈ শ্রমিক অসন্তোষে জরুরি তৎপরতা, মন্ত্রীদের বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী; আমিরাত সফর বাতিল শ্রমমন্ত্রীর ◈ সুইজারল্যান্ডে রাইন নদীতে মিলল খণ্ডিত মরদেহ, বাংলাদেশি রুমমেট গ্রেপ্তার ◈ শ্রমিক আন্দোলনে নাশকতার অভিযোগে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ১১ নেতাকর্মী আটক ◈ গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভের মাঝেই গাজীপুরে কারখানার ঝুট গুদামে আগুন, যানজটে বিপাকে ফায়ার সার্ভিস ◈ তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় বান্ধবী দিশা গ্রেফতার, দীপের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ ◈ আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে লোডশেডিং কমানোর আশা বিদ্যুৎমন্ত্রীর ◈ মিরপুরে মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেলের ৫ স্টেশন

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৫:৫১ বিকাল
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উড়োজাহাজ আকৃতির দুই গ্রহাণু ছুটে আসছে পৃথিবীর পাশ দিয়ে

উড়োজাহাজ আকৃতির দুটি বড় গ্রহাণু মঙ্গলবার (৯ জুন) পৃথিবীর খুব কাছাকাছি চলে আসছে। মহাকাশবিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে এই গ্রহাণু দুটির গতিপথের ওপর নজর রাখছেন। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কাছাকাছি আসা’ শব্দবন্ধটি শুনতে কিছুটা উদ্বেগজনক মনে হলেও বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করেছেন যে, এই মহাজাগতিক বস্তু দুটি নিয়ে পৃথিবীর ভয়ের কোনও কারণ নেই। দুটি গ্রহাণুই পৃথিবী থেকে লাখ লাখ কিলোমিটার নিরাপদ দূরত্ব দিয়ে পার হয়ে যাবে।

২০২৬ এলডি নামের গ্রহাণুটি আকারে প্রায় ৫২ মিটার (১৭০ ফুট) বড়। মঙ্গলবার এটি পৃথিবী থেকে আনুমানিক ১১ লাখ ৪০ হাজার কিলোমিটার (৭ লাখ ১০ হাজার মাইল) দূর দিয়ে অতিক্রম করবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবে এই দূরত্বকে কাছাকাছি বলা হলেও, এটি মূলত পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের চেয়েও তিন গুণেরও বেশি দূরে। ফলে আমাদের গ্রহের সঙ্গে এর সংঘর্ষের কোনও ঝুঁকি নেই।

দিনের দ্বিতীয় গ্রহাণুটির নাম ২০২৬ কেএম৩। এটি প্রথমটির চেয়ে আকারে কিছুটা ছোট, যার ব্যাস প্রায় ৩৪ মিটার (১১০ ফুট)। এটি পৃথিবী থেকে আরও দূর দিয়ে, প্রায় ২৩ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার (১৪ লাখ ৬০ হাজার মাইল) দূরত্ব বজায় রেখে পার হবে। বিজ্ঞানীরা এর গতিপথ হিসাব করে জানিয়েছেন, এই যাত্রায় পৃথিবীর ওপর এর আঘাত হানার সম্ভাবনা শূন্য শতাংশ।

মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা এই ধরনের বস্তুর কক্ষপথ ভালোভাবে বুঝতে এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য হুমকিগুলো চিহ্নিত করতে ক্রমাগত এগুলোর ওপর নজরদারি চালায়। গ্রহাণুগুলো বিপজ্জনক না হলেও, প্রতিটি পর্যবেক্ষণ বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসের মডেল উন্নত করতে এবং গ্রহ প্রতিরক্ষা কৌশলকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিটার আকারের বস্তুগুলোর ওপর বিজ্ঞানীদের বিশেষ আগ্রহ থাকে; কারণ এগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ভূপৃষ্ঠে আঘাত হানলে আঞ্চলিকভাবে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে।

তবে ৯ জুনের এই গ্রহাণু দুটিকে একেবারেই ক্ষতিকর নয় বলেই গণ্য করা হচ্ছে, কারণ এগুলো নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলছে এবং কোনও সংঘর্ষের ঝুঁকি নেই। বরং এই গ্রহাণুগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য সৌরজগতের এই প্রাচীন অবশিষ্টাংশগুলো নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার একটি দারুণ সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। সূত্র: উইয়ন নিউজ

 

  • সর্বশেষ