শিরোনাম
◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:১৭ বিকাল
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রিয়াদে কড়া নিরাপত্তা ভেদ করে সিআইএ স্টেশনে যেভাবে ইরান হামলা করলো

প্রথম ড্রোনটি আঘাত হানে রাত ১টা ৩০ মিনিটে। ঠিক এক মিনিট পরে দ্বিতীয় ড্রোনটি একই পথে উড়ে এসে প্রথমটির তৈরি করা গর্তের ভেতর ঢুকে বিস্ফোরিত হয়। হামলা শেষ হওয়ার পর রিয়াদের মার্কিন দূতাবাসের তিনটি তলা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভেতরে থাকা সিআইএ স্টেশনেও আঘাত লাগে। ৩রা মার্চ একটি ইরানি ড্রোন সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা এড়িয়ে ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টারের কাছে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস কমপ্লেক্সে আঘাত হানে। এক মিনিট পর দ্বিতীয় ড্রোনটি একই পথ অনুসরণ করে এসে ভেতরে বিস্ফোরিত হয়। ওই হামলা নিয়ে অনলাইন এনডিটিভির রিপোর্টে এসব কথা বলা হয়েছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ক্ষয়ক্ষতিকে সীমিত বলে উল্লেখ করে। তারা জানায়, সামান্য আগুন লেগেছিল। কিন্তু ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে, মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয় ভিন্ন কথা। তাদের মতে, আগুন প্রায় অর্ধ দিবস ধরে জ্বলেছে এবং দূতাবাসের কিছু অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

এই হামলা ভবনের একটি নিরাপত্তা সুরক্ষিত অংশ ভেদ করে সিআইএ স্টেশনে আঘাত করে। কর্মকর্তারা বলেন, ঘটনাটি যদি অফিস সময়ে ঘটত, তবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত। বরং এটি একটি বার্তা হিসেবে কাজ করেছে- ইরান এমন জায়গায়ও আমেরিকানদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, যেগুলোকে অত্যন্ত নিরাপদ মনে করা হয়।

রিয়াদের মার্কিন দূতাবাস, বিশ্বের অন্যান্য মার্কিন কূটনৈতিক মিশনের মতো, নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করে না। এটি সুরক্ষার জন্য স্বাগতিক দেশের ওপর নির্ভর করে। সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানান, সৌদি সামরিক বাহিনী কাছাকাছি একটি প্রাসাদকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে সুরক্ষা দেয়, যার কভারেজ দূতাবাস পর্যন্ত বিস্তৃত।

ড্রোন হামলার একই রাতে ইরান সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক কূটনীতিককে লক্ষ্য করার চেষ্টাও করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বাসভবন দূতাবাস থেকে মাত্র কয়েকশ ফুট দূরে। এরপর থেকে ইরান রিয়াদের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এগুলো আগে নিরাপদ বলে ভাবা হতো। প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানি হামলায় মার্কিন বিমান, যেমন ই-৩ এডব্লিউএসিএস (রাডার বিমান) এবং জ্বালানি বহনকারী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই হামলায় প্রায় এক ডজন সেনা আহত হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও দূতাবাসগুলোতে সবচেয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। শুধু রিয়াদ নয়, বাগদাদ, দুবাই, কুয়েত এবং ইরাকের কুর্দিস্তানের ইরবিল শহরের মার্কিন দূতাবাসেও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। যদিও এসব হামলায় কোনো মার্কিন নাগরিক নিহত হয়নি। তবে অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর ইরানের হামলায় সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। শত শত আহত হয়েছে এবং বিমান ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়