শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৪ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

আরব আমিরাতের হয়ে ‘কিল অপারেশনে’ মাসে ১৮ কোটি টাকা আয় করতেন সাবেক মার্কিন সেনারা!

এনডিটিভি: আরব আমিরাতের হয়ে গুপ্তহত্যার মিশনে অংশ নিয়ে লাখ লাখ ডলার আয় করেছেন সাবেক এক মার্কিন সেনা। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইয়েমেনের আইনপ্রণেতা আনসাফ আলি মায়ো দাবি করেছেন, ২০১৫ সালে তাকে হত্যার জন্য ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে সাবেক মার্কিন সেনা আব্রাহাম গোলানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। তার মতে, এটি রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্মূল করার জন্য আরব আমিরাতের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।

আদালতের নথি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগোতে ‘স্পিয়ার অপারেশনস গ্রুপ’ নামে একটি বেসরকারি সামরিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন গোলান। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন সাবেক নেভি সিল আইজ্যাক গিলমোর। তাদের অনেক কর্মীই ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনীর সাবেক সদস্য।

মামলায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ‘টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড’ পরিচালনার জন্য আরব আমিরাতের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছায়। এর বিনিময়ে প্রতি মাসে ১৫ লাখ ডলার (প্রায় ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা) পারিশ্রমিক এবং সফল হত্যাকাণ্ডের জন্য অতিরিক্ত বোনাস দেয়া হতো বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাবেক দুই মার্কিন সেনা এবং স্পিয়ার অপারেশনসের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনেছেন ইয়েমেনের আইনপ্রণেতা মায়ো। গোলান, গিলমোর এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের আরেক সদস্য ডেল কমস্টক হত্যাকাণ্ডের অভিযানে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

২০১৮ সালে বাজফিডকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গোলান বলেন, ‘ইয়েমেনে একটি টার্গেটেড হত্যাকাণ্ডের কর্মসূচি ছিল। আমি সেটি পরিচালনা করতাম। আমরা এটি করেছি। এটি আরব আমিরাতের অনুমোদনপ্রাপ্ত ছিল।’

ইয়েমেনে সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে সমর্থন দেয়ার কথা স্বীকার করেছে আরব আমিরাত। তবে তারা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা না হলেও ‘এলিয়েন টর্ট স্ট্যাটিউট’ অধীনে মার্কিন আদালতে মামলা করার সুযোগ পেয়েছেন মায়ো। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে বিদেশিরা এই আইনের মাধ্যমে মার্কিন আদালতে মামলা করতে পারেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপের জন্য মার্কিন সমর্থিত একটি আঞ্চলিক জোটে যোগ দেয় আরব আমিরাত। ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা এবং উত্তর ইয়েমেনের বড় অংশ দখল করার পর এই সংঘাত শুরু হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়